বিশ্বব্যাংকের ঋণ কমছে জলবায়ু সেবার প্রকল্পে

বিশ্বব্যাংকের ঋণ কমছে জলবায়ু সেবার প্রকল্পে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জলবায়ু সেবার চলমান একটি প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ঋণ কমছে ২৪৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ‘আবহাওয়া তথ্য সেবা ও আগাম সতর্কবাণী জোরদারকরণ’ শীর্ষক ওই প্রকল্পের মোট ব্যয়ও কমছে ২৬৩ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মূল প্রকল্পের ব্যয় ছিল ৫২০ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এরমধ্যে বিশ্বব্যাংকের ঋণ ছিল ৪৬২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। বাকি ৫৭ কোটি ২২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগার থেকে মেটানোর কথা ছিল।

প্রকল্পের ব্যয় কমানোর এ ধরনের প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে বিএমডি।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, মূল প্রকল্পটি মোট ৫২০ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে জুলাই ২০১৬ থেকে জুন ২০২১ পর্যন্ত মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য একনেক সভায় অনুমোদন হয়। পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন পর্যায়ে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কতিপয় কাজের ব্যয় পুনর্নির্ধারণ/নতুন কাজ সংযোজন এবং বাস্তবায়ন মেয়াদ এক বছর ৬ মাস বৃদ্ধির প্রয়োজন হওয়ায় প্রকল্পটি ১ম সংশোধনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। প্রকল্পের ব্যয় ৩০০ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকাল ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত নির্ধারণ করে ১ম সংশোধন প্রস্তাব পরিকল্পনামন্ত্রী অনুমোদন করেন।

এবার প্রকল্পের ব্যয় আরও ৪৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা কমিয়ে ২৫৭ কোটি ৬ লাখ টাকা নির্ধারণ এবং মেয়াদ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত নির্ধারণ করে প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

নির্ধারণ এবং মেয়াদ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত নির্ধারণ করে প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

বিএমডি’র প্রস্তাবনায় প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা করবে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগ। গত বুধবার (৪ জানুয়ারি) প্রকল্পটি নিয়ে পিইসি সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য সত্যজিত কর্মকারকে বদলি করে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব করা হয়েছে। নতুন সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান। এখন নতুন করে পিইসি সভার তারিখ দেওয়া হবে।

এবিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের উপ-প্রধান মোছা. নাদিরা আখতার জাগো নিউজকে বলেন, প্রকল্পের কিছু সংশোধনী প্রস্তাব পাঠিয়েছে বিএমডি। বিএমডি’র প্রস্তাবনা নিয়ে পিইসি সভা করা হবে। আমরা একবার পিইসি সভার তারিখ দিয়েছিলাম। কিন্তু সদস্য (সচিব) পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে আবারও তারিখ দেওয়া হবে।

প্রকল্প সংশোধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রকল্পে কিছু কাজের পরিবর্তন হবে। প্রকল্পের আওতায় বিশ্বব্যাংকের ঋণও কমবে। এছাড়া প্রকল্পের কিছু কাজের পরিধিও বাড়বে। করোনার কারণে প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হয়। এসব কারণে প্রকল্পের মেয়াদও বাড়বে।

পোষ্টটি প্রয়োজনীয় মনে হলে শেয়ার করতে পারেন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!