বেতন স্কেল জটিলতা নিরসনের বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের ১২ দফা দাবি

বেতন স্কেল জটিলতা নিরসনের বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের ১২ দফা দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য উচ্চতর বেতন স্কেল দিতে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি। পাশাপাশি স্কেল প্রদানে আবেদনের সময় বৃদ্ধি করাসহ ১২ দফা দাবি জানিয়েছে তারা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের নিকট তারা পৃথকভাবে এই দাবি জানান।

সমিতির সভাপতি এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরামের মুখপাত্র মো. নজরুল ইসলাম রনির সাক্ষর করা আবেদনে দাবির মধ্যে রয়েছে-

উচ্চতর স্কেল প্রদানে মাউশি থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। শিক্ষক-কর্মচারীদের যোগদান থেকে হবে, নাকি বিএড থেকে অভিজ্ঞতা ধরা হবে— সে বিষয়টি স্পষ্ট নয়। শিক্ষকদের দাবি যোগদান থেকিই উচ্চতর স্কেল দিতে হবে; উচ্চতর স্কেল দিতে সময় নির্দিষ্ট না করে চলমান রাখতে হবে। কারণ, এতে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির রেজুলেশন দরকার হয়; জুনিয়র স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের হাই স্কুলের ক্ষেত্রে গ্রেড দিতে বিদ্যমান জটিলতা দূর করতে হবে।

বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালে এনটিআরসিএ সনদ অর্জন না করে যারা দীর্ঘ ১০-১৫ বছর চাকরি করছেন, এখন তাদের বয়স ৩৫ বছর উত্তীর্ণ। তাদেরকে এমপিওভুক্ত করতে হবে; শিক্ষক-কর্মচরীদের অভিজ্ঞতা এমপিওভুক্তি থেকে হিসাব না যোগদান থেকে হিসাব করতে হবে এবং প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে; দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৈধ সনদধারীদের এমপিভুক্ত করতে হবে।

প্রথম টাইম স্কেল দেওয়ার পর বিএড স্কেল দিতে হবে; ঈদুল আজহার আগেই ২৫ শতাংশের পরিবর্তে সরকারি নিয়মে পূর্ণাঙ্গ ঈদ বোনাস দিতে হবে; কলেজ শিক্ষকদের অনুপাত প্রথা বাতিল করে পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে; অনার্স-মাস্টার্স কলেজ শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করতে হবে; ‘এমপিও নীতিমালা-২০১৮’ অবিলম্বে সংশোধন করে শিক্ষক হয়রানি বন্ধ করতে হবে এবং মুজিববর্ষেই শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ করে মুজিববর্ষকে আলোকিত করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষণার পর এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের টাইম স্কেল বার উচ্চতর গ্রেড বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৮ সালের এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকতার ১০ বছর পূর্তি এবং ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড দেওয়ার কথা ছিল। তবে এ বিষয়ে জটিলতা থাকায় গত মার্চে অর্থ মন্ত্রণালয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করে জানতে চেয়ে চিঠি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরে ৩১ মে চিঠির জবাব দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়।

পোষ্টটি প্রয়োজনীয় মনে হলে শেয়ার করতে পারেন...
  • 3
    Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!