ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলছে

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ১১:১৫:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪
  • / ৮২৯ বার পঠিত

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আজ সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

 

গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) রাত পৌনে ৮টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ তার ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

 

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে মহাখালী, সাতরাস্তা ও কারওয়ান বাজার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মানুষ হেঁটে, রিকশা, সিএনজি বা মোটরসাইকেল দিয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছেন। রাস্তায় বিআরটিসিসহ থেমে থেমে দু-একটি বাস চলতে দেখা গেছে।

 

এর আগে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব, সোয়াটের ন্যক্কারজনক হামলা, খুনের প্রতিবাদ, খুনিদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা এবং কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে ১৮ জুলাই সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা করছি। দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে কর্মসূচি সফল করতে আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ‘শুধু হাসপাতাল ও জরুরি সেবা ব্যতীত কোনো প্রতিষ্ঠানের দরজা খুলবে না, অ্যাম্বুলেন্স ব্যতীত সড়কে কোনো গাড়ি চলবে না। সারা দেশের প্রতিটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাচ্ছি, ১৮ জুলাইয়ের কর্মসূচি সফল করুন।’

 

প্রসঙ্গত, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বেশ সহিংস রূপ নেয়। এ দিন ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে ছয়জন মারা যান। আহত হন কয়েকশ’ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

 

গত রোববার (১৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা প্রসঙ্গে কথা বলার সময় মন্তব্য করেন ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না, রাজাকারের নাতিপুতিরা সব পাবে?’

 

প্রধানমন্ত্রীর এ মন্তব্যে ক্ষিপ্ত হন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। তারা ধরে নিয়েছেন ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ তাদেরকেই বলা হয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে এবং কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে রোববার মধ্যরাত থেকেই আন্দোলনে নামেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। সেই আন্দোলন এখনো চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানী ঢাকাসহ ৬ জেলায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলছে

আপডেটঃ ১১:১৫:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আজ সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

 

গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) রাত পৌনে ৮টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ তার ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

 

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে মহাখালী, সাতরাস্তা ও কারওয়ান বাজার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মানুষ হেঁটে, রিকশা, সিএনজি বা মোটরসাইকেল দিয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছেন। রাস্তায় বিআরটিসিসহ থেমে থেমে দু-একটি বাস চলতে দেখা গেছে।

 

এর আগে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব, সোয়াটের ন্যক্কারজনক হামলা, খুনের প্রতিবাদ, খুনিদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা এবং কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে ১৮ জুলাই সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা করছি। দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে কর্মসূচি সফল করতে আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ‘শুধু হাসপাতাল ও জরুরি সেবা ব্যতীত কোনো প্রতিষ্ঠানের দরজা খুলবে না, অ্যাম্বুলেন্স ব্যতীত সড়কে কোনো গাড়ি চলবে না। সারা দেশের প্রতিটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাচ্ছি, ১৮ জুলাইয়ের কর্মসূচি সফল করুন।’

 

প্রসঙ্গত, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বেশ সহিংস রূপ নেয়। এ দিন ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে ছয়জন মারা যান। আহত হন কয়েকশ’ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

 

গত রোববার (১৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা প্রসঙ্গে কথা বলার সময় মন্তব্য করেন ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না, রাজাকারের নাতিপুতিরা সব পাবে?’

 

প্রধানমন্ত্রীর এ মন্তব্যে ক্ষিপ্ত হন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। তারা ধরে নিয়েছেন ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ তাদেরকেই বলা হয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে এবং কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে রোববার মধ্যরাত থেকেই আন্দোলনে নামেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। সেই আন্দোলন এখনো চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানী ঢাকাসহ ৬ জেলায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।