ঢাকা , শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উত্তপ্ত মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবি-কোস্টকার্ডের টহল জোরদার

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৫:১০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ৮৬২ বার পঠিত

এক সপ্তাহের যুদ্ধে মংডু, বুথিডং ও পালেতাওয়ার শহরসহ মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের ৮০ শতাংশের বেশি এলাকা দখল করে নিয়েছে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ঘেঁষা ২৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত এখন তাদের দখলে। এ প্রেক্ষাপটে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তে। এ অবস্থায় সেখানে বসবাসকারী কয়েক লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমের ‘ভবিষ্যৎ’ নিয়ে উদ্বিগ্ন অন্তর্বর্তী সরকার। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি নাফ নদে কড়া নজরদারি করছে কোস্টগার্ড।

 

এদিকে, মিয়ানমারে চলমান এই অবস্থার মধ্যেই শুরু হয়েছে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে ট্রলার চলাচল। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে জরুরি খাদ্যপণ্য ও সেন্টমার্টিনের কিছু বাসিন্দাকে নিয়ে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওয়ানা দেয় দুটি ট্রলার। এতে স্বস্তি ফিরেছে দ্বীপের বাসিন্দাদের মাঝে। স্বস্তি ফিরলেও মিয়ানমারের উত্তেজনা নিয়ে স্বস্তিতে নেই সীমান্তবাসী। তাদের মতে, নতুন করে রোহিঙ্গা প্রবেশে আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে কক্সবাজার-টেকনাফ।

 

টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় বসবাস করেন রহিম মিয়া। তিনি বলেন, ‘এমনিতেই লাখ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা মাথায় নিয়ে আমাদের দিন কাটাতে হয়। নতুন করে কোনো রোহিঙ্গা আমরা এই দেশে চাই না। রোহিঙ্গারা নানা ধরনের অপকর্মে লিপ্ত আছে। রোহিঙ্গারা খুন অপহরণ ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত।’ রোহিঙ্গাদের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে বলেও জানান নাছির উদ্দীন।

 

গেল আগস্ট-সেপ্টেম্বর দুই মাসে ৮ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। কিন্তু অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বড় ধরনের কোনো অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি বলে জানান টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা (ইউএনও) শেখ এহেসান উদ্দিন।

 

এদিকে, সবশেষ বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটে ২০১৮ সালে। সে সময় একসঙ্গে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গার বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ ঘটে। সরকারি হিসাবে, দেশে এখন রোহিঙ্গা আছে ১২ লাখের বেশি।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

উত্তপ্ত মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবি-কোস্টকার্ডের টহল জোরদার

আপডেটঃ ০৫:১০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

এক সপ্তাহের যুদ্ধে মংডু, বুথিডং ও পালেতাওয়ার শহরসহ মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের ৮০ শতাংশের বেশি এলাকা দখল করে নিয়েছে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ঘেঁষা ২৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত এখন তাদের দখলে। এ প্রেক্ষাপটে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তে। এ অবস্থায় সেখানে বসবাসকারী কয়েক লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমের ‘ভবিষ্যৎ’ নিয়ে উদ্বিগ্ন অন্তর্বর্তী সরকার। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি নাফ নদে কড়া নজরদারি করছে কোস্টগার্ড।

 

এদিকে, মিয়ানমারে চলমান এই অবস্থার মধ্যেই শুরু হয়েছে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে ট্রলার চলাচল। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে জরুরি খাদ্যপণ্য ও সেন্টমার্টিনের কিছু বাসিন্দাকে নিয়ে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওয়ানা দেয় দুটি ট্রলার। এতে স্বস্তি ফিরেছে দ্বীপের বাসিন্দাদের মাঝে। স্বস্তি ফিরলেও মিয়ানমারের উত্তেজনা নিয়ে স্বস্তিতে নেই সীমান্তবাসী। তাদের মতে, নতুন করে রোহিঙ্গা প্রবেশে আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে কক্সবাজার-টেকনাফ।

 

টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় বসবাস করেন রহিম মিয়া। তিনি বলেন, ‘এমনিতেই লাখ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা মাথায় নিয়ে আমাদের দিন কাটাতে হয়। নতুন করে কোনো রোহিঙ্গা আমরা এই দেশে চাই না। রোহিঙ্গারা নানা ধরনের অপকর্মে লিপ্ত আছে। রোহিঙ্গারা খুন অপহরণ ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত।’ রোহিঙ্গাদের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে বলেও জানান নাছির উদ্দীন।

 

গেল আগস্ট-সেপ্টেম্বর দুই মাসে ৮ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। কিন্তু অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বড় ধরনের কোনো অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি বলে জানান টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা (ইউএনও) শেখ এহেসান উদ্দিন।

 

এদিকে, সবশেষ বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটে ২০১৮ সালে। সে সময় একসঙ্গে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গার বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ ঘটে। সরকারি হিসাবে, দেশে এখন রোহিঙ্গা আছে ১২ লাখের বেশি।