মুঠোফোন-ইন্টারনেট সেবায় ভ্যাট না কমালে এনবিআর ঘেরাওয়ের ঘোষণা
- আপডেটঃ ০২:৪৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫
- / ৮৪৯ বার পঠিত
মুঠোফোন ও ইন্টারনেট সেবায় ভ্যাট না কমালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের নেতারা।
আজ রোববার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মুঠোফোন ও ইন্টারনেট সেবায় নতুন করে ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে ওই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
নেতারা বলেন, পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনার পরিবর্তে জনগণের ওপর করের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
আইএসপিএবির সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, কর বৃদ্ধির ফলে এখন থেকে ৫০০ টাকার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে ৫৭৫ টাকার বেশি এবং ১ হাজার টাকার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে ১৫৫ টাকার বেশি দিতে হবে গ্রাহককে।
তিনি বলেন, আমাদের ছোট ছোট উদ্যোক্তা যেমনভাবে হুমকির মুখে পড়বে ঠিক একইভাবে গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝার চাপ বাড়বে। ফোনে ইন্টারনেট সেবা বিমুখ হবে জনগণ, যা নতুন করে বৈষম্য তৈরি করবে।
বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম ও আইআইজির সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, শতভাগ দেশীয় উদ্যোক্তার মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা হয়। এই সেবা খাত ধ্বংস করার অপচেষ্টা আগেও করা হয়েছে। এখন আবার নতুন করে ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক (এসডি) ও সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত করায় গ্রাহকের ভোগান্তি যেমন বাড়বে তেমনি এই সেবাখাত ধ্বংস হয়ে যাবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে যদি এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা হয় তাহলে আমরা গ্রাহক এবং সেবা খাতের সবাইকে নিয়ে এনবিআর কার্যালয় ঘেরাও করব।
প্রযুক্তিবিদ ও প্রযুক্তি শিল্প উদ্যোক্তা বেসিসের সাবেক সভাপতি ফাহিম মাশরুর বলেন, কারও সঙ্গে আলোচনা না করে নতুন করে ইন্টারনেট সেবায় কর আরোপ করা এক ধরনের স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ। নতুন করে কর বৃদ্ধি করলে টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা খাত হুমকির মুখে পড়বে। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি তো দূরে থাক, গ্রাহকরা এই সেবা গ্রহণ করতে পারবে না।
সভাপতির বক্তব্যে মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘দুর্নীতিবাজ রাজস্ব কর্মকর্তাদের খুশি করতেই তাদের পরামর্শে এই ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আমরা ভেবেছিলাম ৫ আগস্টের পর আর রাজপথে দাঁড়াতে হবে না। কিন্তু আজ দুঃখের সঙ্গে আমাদের রাজপথে দাঁড়াতে হলো। গ্রাহক স্বার্থ বিবেচনা না করে কারও সাথে আলোচনা না করে রাতের আঁধারে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করলে আমরা এনবিআর কার্যালয়ের সামনে অবস্থানসহ কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব।










