আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে করাচি, ঢাকার অবস্থান কত?
- আপডেটঃ ১২:৩০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
- / ৮৭৫ বার পঠিত
ঢাকার বাতাসে দূষণ খানিকটা কমেছে। গত কয়েক দিনে এই শহরে বায়ুদূষণ ছিল শীর্ষে। তবে আজ তালিকার অনেক নিচে নেমে এসেছে। সকালের রেকর্ড অনুযায়ী বিশ্বের ১২৬ শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান আজ ১৬তম। বায়ুমান রেকর্ড করা হয়েছে ১৫৩, যেখানে ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। অন্যদিকে সর্বোচ্চ দূষণ নিয়ে মানসূচকে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের করাচি, বায়ুমান ২২১।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার সূচক থেকে এ তথ্য জানা যায়।
আইকিউএয়ার বাতাসের মান নিয়ে লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক প্রকাশ করে। যা একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয়ার পাশাপাশি সতর্ক করে। আজ আইকিউএয়ার সূচকে সবার ওপরে আছে পাকিস্তানের করাচি। শহরটির বাতাসের মানের স্কোর ২২৬। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এদিকে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষ দুই নম্বরে আছে মিয়ানমারের ইয়াংগুন, স্কোর ১৯৮। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়। পাশাপাশি একই মানের বাতাস নিয়ে তালিকার শীর্ষ তিন নম্বরে আছে ভিয়েতনামের হ্যানয়।
অন্যদিকে সবচেয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষ ১৬ নম্বরে অবস্থান করছে রাজধানী ঢাকা। বাতাসের মানের স্কোর ১৫৩। এই মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’। এই অবস্থায় রাজধানীবাসীদের জানালা বন্ধ রাখার পাশাপাশি ঘরের বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে আইকিউএয়ার।
একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ পর্যন্ত ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কোর মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। অন্যদিকে স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে ধরা হয়। পাশাপাশি ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে।
এছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।










