ঢাকা , বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চতুর্থ দিনেও বন্ধ চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০১:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / ৮৪০ বার পঠিত

ঢাকার জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চতুর্থ দিনের মতো অচলাবস্থা বিরাজ করছে। চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সঙ্গে সম্প্রতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতের মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার সকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে চিকিৎসাসেবা। এতে করে প্রতিদিনই চিকিৎসা নিতে আসা শত শত রোগীকে ফিরে যেতে হচ্ছে।

 

আজ শনিবার (৩১ মে) হাসপাতালটিতে কোনো চিকিৎসাসেবা চালু করা যায়নি। রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকে আজ সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চিকিৎসা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালে এখনও রয়েছে পিনপতন নীরবতা। বন্ধ রয়েছে হাসপাতালটির প্রধান দুটি গেট। ভেতরে কিছু পুলিশ সদস্য অলস বসে রয়েছেন। সকাল থেকে অনেকেই হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিতে আসলেও তারা ফিরে যাচ্ছে।

 

লালমাটিয়া থেকে চোখের সমস্যা নিয়ে আসেন ফরিদ মিয়া। তিনি জানান, হাসপাতালে সেবা বন্ধ এটা না জেনেই এসেছেন। তিনি বলেন, ‘টাকা কম থাকায় সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসি। তবে এভাবে চললে আমরা চিকিৎসা কীভাবে নেব।’

 

গত বুধবার নিরাপত্তার দাবিতে হাসপাতালটির চিকিৎসক নার্স কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি কর্মসূচিতে হামলা করে জুলাই গণআন্দোলনের আহত যোদ্ধারা। এতে চিকিৎসকসহ ১৫ জন স্টাফ আহত হন। আতঙ্কে হাসপাতাল ছাড়েন চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

 

সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে বর্তমানে ৫০ জন জুলাই যোদ্ধা ভর্তি। আত্মহত্যার চেষ্টা করা চারজন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং একজন সিএমএইচে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া প্রায় ১৫০ জন সাধারণ রোগী ছিলেন, যারা নিরাপত্তার অভাবে হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন।

 

প্রসঙ্গত, হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজার রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

চতুর্থ দিনেও বন্ধ চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা

আপডেটঃ ০১:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

ঢাকার জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চতুর্থ দিনের মতো অচলাবস্থা বিরাজ করছে। চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সঙ্গে সম্প্রতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতের মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার সকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে চিকিৎসাসেবা। এতে করে প্রতিদিনই চিকিৎসা নিতে আসা শত শত রোগীকে ফিরে যেতে হচ্ছে।

 

আজ শনিবার (৩১ মে) হাসপাতালটিতে কোনো চিকিৎসাসেবা চালু করা যায়নি। রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকে আজ সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চিকিৎসা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালে এখনও রয়েছে পিনপতন নীরবতা। বন্ধ রয়েছে হাসপাতালটির প্রধান দুটি গেট। ভেতরে কিছু পুলিশ সদস্য অলস বসে রয়েছেন। সকাল থেকে অনেকেই হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিতে আসলেও তারা ফিরে যাচ্ছে।

 

লালমাটিয়া থেকে চোখের সমস্যা নিয়ে আসেন ফরিদ মিয়া। তিনি জানান, হাসপাতালে সেবা বন্ধ এটা না জেনেই এসেছেন। তিনি বলেন, ‘টাকা কম থাকায় সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসি। তবে এভাবে চললে আমরা চিকিৎসা কীভাবে নেব।’

 

গত বুধবার নিরাপত্তার দাবিতে হাসপাতালটির চিকিৎসক নার্স কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি কর্মসূচিতে হামলা করে জুলাই গণআন্দোলনের আহত যোদ্ধারা। এতে চিকিৎসকসহ ১৫ জন স্টাফ আহত হন। আতঙ্কে হাসপাতাল ছাড়েন চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

 

সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে বর্তমানে ৫০ জন জুলাই যোদ্ধা ভর্তি। আত্মহত্যার চেষ্টা করা চারজন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং একজন সিএমএইচে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া প্রায় ১৫০ জন সাধারণ রোগী ছিলেন, যারা নিরাপত্তার অভাবে হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন।

 

প্রসঙ্গত, হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজার রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন।