ঢাকা , বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকা মেডিকেল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৬:৫১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫
  • / ৮৫৬ বার পঠিত

নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ রোববার (২২ জুন) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা।

 

আজ শনিবার (২১ জুন) একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

 

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, দাবিগুলো মানা না হলে তারা নিজেরাই একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেবেন। তবে তার আগেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কলেজ বন্ধের ঘোষণা এলো।

 

কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার (২২ জুন) থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। শিক্ষার্থীদের রোববার দুপুর ১২টার মধ্যে হোস্টেল ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে এরইমধ্যে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা অনড় অবস্থানে রয়েছেন।

 

এদিকে, পরিত্যক্ত ঘোষণা করা সত্ত্বেও ছাত্রদের অসহযোগিতার কারণে ডা. ফজলে রাব্বি ছাত্রাবাসের ঝুঁকিপূর্ণ ৪র্থ তলা খালি করা সম্ভব হয়নি। এমনকি নতুন ব্যাচ K-82-এর শিক্ষার্থীরা তাদের অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম বয়কট করেছেন, যা কলেজ কর্তৃপক্ষ ‘কালো অধ্যায়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

 

এই অচলাবস্থায় অ্যাকাডেমিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ায় কাউন্সিল একমত হয় যে, সৃষ্ট পরিস্থিতি নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে কলেজের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে।

 

তবে পেশাগত এমবিবিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ও বিদেশি শিক্ষার্থীরা এ সিদ্ধান্তের আওতামুক্ত থাকবেন।

 

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের আবাসিক ও একাডেমিক ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার প্রতিবাদে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান ও মিলন চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

তাদের প্রধান দাবির মধ্যে ছিলঃ

 

  1. পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ছাত্রাবাসের বিকল্প ব্যবস্থা।
  2. নতুন ছাত্রাবাস ও একাডেমিক ভবনের বাজেট পাস।
  3. শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

আপডেটঃ ০৬:৫১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ রোববার (২২ জুন) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা।

 

আজ শনিবার (২১ জুন) একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

 

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, দাবিগুলো মানা না হলে তারা নিজেরাই একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেবেন। তবে তার আগেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কলেজ বন্ধের ঘোষণা এলো।

 

কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার (২২ জুন) থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। শিক্ষার্থীদের রোববার দুপুর ১২টার মধ্যে হোস্টেল ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে এরইমধ্যে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা অনড় অবস্থানে রয়েছেন।

 

এদিকে, পরিত্যক্ত ঘোষণা করা সত্ত্বেও ছাত্রদের অসহযোগিতার কারণে ডা. ফজলে রাব্বি ছাত্রাবাসের ঝুঁকিপূর্ণ ৪র্থ তলা খালি করা সম্ভব হয়নি। এমনকি নতুন ব্যাচ K-82-এর শিক্ষার্থীরা তাদের অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম বয়কট করেছেন, যা কলেজ কর্তৃপক্ষ ‘কালো অধ্যায়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

 

এই অচলাবস্থায় অ্যাকাডেমিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ায় কাউন্সিল একমত হয় যে, সৃষ্ট পরিস্থিতি নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে কলেজের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে।

 

তবে পেশাগত এমবিবিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ও বিদেশি শিক্ষার্থীরা এ সিদ্ধান্তের আওতামুক্ত থাকবেন।

 

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের আবাসিক ও একাডেমিক ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার প্রতিবাদে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান ও মিলন চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

তাদের প্রধান দাবির মধ্যে ছিলঃ

 

  1. পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ছাত্রাবাসের বিকল্প ব্যবস্থা।
  2. নতুন ছাত্রাবাস ও একাডেমিক ভবনের বাজেট পাস।
  3. শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।