ঢাকা , বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে ‘পটিয়া থানা ঘেরাও’

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০২:০১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / ৭৯০ বার পঠিত

চট্টগ্রামের পটিয়া থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। ছাত্রলীগ নেতার পক্ষ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের লাঠিপেটা করার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ এনে ওসির পদত্যাগ চেয়ে স্লোগান দিচ্ছেন তারা।

 

আজ বুধবার (০২ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে থানার প্রবেশপথে অবস্থান নেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

 

স্থানীয়রা জানায়, গতকাল রাত ৯টার দিকে পটিয়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে থেকে ছাত্রলীগের এক নেতাকে আটক করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। পরে তাকে পটিয়া থানা চত্বরে নেয়া হয়। তবে ওই ছাত্রলীগ নেতার নামে মামলা না থাকায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে অসম্মতি জানায়।

 

এ নিয়ে ছাত্রদের সাথে পুলিশের বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। পরে ওই ছাত্রলীগ নেতাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

 

সংঘর্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। তবে পুলিশের দাবি, থানায় প্রবেশ করে মব সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। তা প্রতিহত করতে গিয়ে পুলিশের ৩-৪ জন সদস্য আহত হয়েছেন।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

চট্টগ্রামে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে ‘পটিয়া থানা ঘেরাও’

আপডেটঃ ০২:০১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

চট্টগ্রামের পটিয়া থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। ছাত্রলীগ নেতার পক্ষ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের লাঠিপেটা করার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ এনে ওসির পদত্যাগ চেয়ে স্লোগান দিচ্ছেন তারা।

 

আজ বুধবার (০২ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে থানার প্রবেশপথে অবস্থান নেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

 

স্থানীয়রা জানায়, গতকাল রাত ৯টার দিকে পটিয়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে থেকে ছাত্রলীগের এক নেতাকে আটক করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। পরে তাকে পটিয়া থানা চত্বরে নেয়া হয়। তবে ওই ছাত্রলীগ নেতার নামে মামলা না থাকায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে অসম্মতি জানায়।

 

এ নিয়ে ছাত্রদের সাথে পুলিশের বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। পরে ওই ছাত্রলীগ নেতাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

 

সংঘর্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। তবে পুলিশের দাবি, থানায় প্রবেশ করে মব সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। তা প্রতিহত করতে গিয়ে পুলিশের ৩-৪ জন সদস্য আহত হয়েছেন।