ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেনাপ্রধানকে নিয়ে যা বললেন সারজিস আলম

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৫:২৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • / ৮১৮ বার পঠিত

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা, আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি(এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম।

 

আজ রোববার (২৭ জুলাই) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশংসা করেন। সেখানে তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর জুলাই আহতদের প্রতি সেনাপ্রধানের মমত্ববোধের কথা তুলে ধরেছেন।

 

‘কয়েকটা আনপপুলার তথ্য দেই’ ক্যাপশনে ওই পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আজকে পর্যন্ত কিছু ব্যতিক্রম বাদে প্রত্যেক শনিবার সেনাপ্রধান সিএমএইচে গিয়েছেন সেখানে ভর্তি থাকা জুলাই আহতদের দেখতে। যেটা সব উপদেষ্টাদের মোট ভিজিট কম্বাইন্ড করলে তার চেয়ে বেশি হবে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘সবচেয়ে সিরিয়াস আহতদের কোয়ালিটিফুল ট্রিটমেন্ট নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা বাবদ ব্যক্তি প্রতি সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে ঢাকা সিএমএইচে। আহত এবং শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পর প্রতিষ্ঠান হিসেবে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধান।’

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

সেনাপ্রধানকে নিয়ে যা বললেন সারজিস আলম

আপডেটঃ ০৫:২৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা, আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি(এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম।

 

আজ রোববার (২৭ জুলাই) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশংসা করেন। সেখানে তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর জুলাই আহতদের প্রতি সেনাপ্রধানের মমত্ববোধের কথা তুলে ধরেছেন।

 

‘কয়েকটা আনপপুলার তথ্য দেই’ ক্যাপশনে ওই পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আজকে পর্যন্ত কিছু ব্যতিক্রম বাদে প্রত্যেক শনিবার সেনাপ্রধান সিএমএইচে গিয়েছেন সেখানে ভর্তি থাকা জুলাই আহতদের দেখতে। যেটা সব উপদেষ্টাদের মোট ভিজিট কম্বাইন্ড করলে তার চেয়ে বেশি হবে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘সবচেয়ে সিরিয়াস আহতদের কোয়ালিটিফুল ট্রিটমেন্ট নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা বাবদ ব্যক্তি প্রতি সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে ঢাকা সিএমএইচে। আহত এবং শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পর প্রতিষ্ঠান হিসেবে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধান।’