ট্রাম্পের মধ্যস্থতার পরও থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘর্ষ চলছেই
- আপডেটঃ ০৬:৫৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
- / ৭৯৪ বার পঠিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা তৈরি হলেও থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চতুর্থ দিনের মতো সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। বিতর্কিত সীমান্ত নিয়ে চলমান এই সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৩ জন নিহত ও দুই লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
আজ রোববার (২৭ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দেশের নেতাদের যুদ্ধবিরতিতে একমত হওয়ার কথা বলার কয়েক ঘন্টা পরই এই হামলা চালানো হয়। খবর রয়টার্সের।
কম্বোডিয়া বলেছে, তারা ট্রাম্পের তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির আহ্বানকে সম্পূর্ণরূপে সমর্থন করেছে। অন্যদিকে, থাইল্যান্ড বলেছে, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞ। তবে কম্বোডিয়া থাইল্যান্ডের বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করছে, নমপেন এই দাবি অস্বীকার করেছে।
কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেট ফেসবুকে পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি মাননীয় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্পষ্ট করে বলেছি, কম্বোডিয়া দুই সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে তাৎক্ষণিক এবং নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে একমত।’
এদিকে, কম্বোডিয়া আরও জানিয়েছে, রোববার ভোরে থাইল্যান্ড শত্রুতা শুরু করে এবং থাই বাহিনী সীমান্তে জড়ো হচ্ছে। অন্যদিকে, থাইল্যান্ডের দাবি, তাদের ওপর কম্বোডিয়া হামলা করেছে এবং তারা এর জবাব দিয়েছে।
অন্যদিকে, সীমান্তবর্তী এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার আগে থাইল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ফুমথাম ওয়েচায়াচাই সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের শর্ত হলো আমরা তৃতীয় কোনো দেশের হস্তক্ষেপ চাই না কিন্তু তার (ট্রাম্পের) উদ্বেগের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’
ফুমথাম বলেন, ‘আমরা আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক আলোচনার প্রস্তাব করেছি যাতে যুদ্ধবিরতি এবং সৈন্য ও দূরপাল্লার অস্ত্র প্রত্যাহারের শর্তাবলী চূড়ান্ত করা যায়।’
চার দিন আগে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ লড়াই শুরু হয়। চার দিনের সংঘাতে নিহতের সংখ্যা ৩০ জনেরও বেশি হয়ে গেছে, যার মধ্যে থাইল্যান্ডে ১৩ জন এবং কম্বোডিয়ায় আটজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ২০০,০০০ এরও বেশি মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।










