ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্ড ইস্যুতে ইউসিবি বিএসইসির সম্মতি পেল

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৫:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ৯৫০ বার পঠিত

 

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) সেকেন্ড পারপেচুয়াল বন্ড ইস্যুতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সম্মতি পেয়েছে। ব্যাংকটির মূলধন শক্তিশালী করার জন্য এ বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

এর আগে ২৬ জুন বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৮৭৩তম কমিশন সভায় বন্ডটির অনুমোদন দেয়া হয়। ৩০০ কোটি টাকা মূল্যের এ বন্ড আনসিকিউরড, কনটিনজেন্ট-কনভার্টেবল, ফুললি পেইড-আপ নন-কিউমুলেটিভ। এর মধ্যে ২৭০ কোটি টাকা প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ও ৩০ কোটি টাকা পাবলিক অফারের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

 

বন্ডটির কুপন হার ৬-১০ শতাংশ। বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ৫ হাজার টাকা। বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে ইউসিবি টায়ার-১ মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করবে। এ বন্ডের ট্রাস্টির দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও অ্যারেঞ্জারের দায়িত্ব পালন করছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। এর ইস্যু ব্যবস্থাপনা ও অবলেখনের দায়িত্বে রয়েছে যথাক্রমে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও সোনালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। বন্ডটি অলটারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে তালিকাভুক্ত হবে।

 

চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) পিএলসির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৩২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৭১ পয়সায়, আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ২৭ টাকা ৪৬ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।

 

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে পর্ষদ । এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে।

 

আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭৮ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৫৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৬ টাকা ৫৯ পয়সায়।

 

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ইউসিবি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ইউসিবি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে। ২০১৯ হিসাব বছরের জন্যও শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও বাকি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ছিল। এর আগে ২০১৮ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ স্টক ও ২০১৭ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।

 

১৯৮৬ সালে শেয়ারবাজারে আসা ইউসিবির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৪৭৬ কোটি ৫৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৩৯৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪৭ কোটি ৬৫ লাখ ৪৮ হাজার ৪৭৬। এর মধ্যে ৩৩ দশমিক ৮২ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, দশমিক ৮১ শতাংশ সরকার, ২১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৪৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

 

ডিএসইতে গতকাল ইউসিবির শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ১২ টাকা ৪০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১২ টাকা ৪০ পয়সা ও ১৩ টাকা।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

বন্ড ইস্যুতে ইউসিবি বিএসইসির সম্মতি পেল

আপডেটঃ ০৫:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩

 

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) সেকেন্ড পারপেচুয়াল বন্ড ইস্যুতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সম্মতি পেয়েছে। ব্যাংকটির মূলধন শক্তিশালী করার জন্য এ বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

এর আগে ২৬ জুন বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৮৭৩তম কমিশন সভায় বন্ডটির অনুমোদন দেয়া হয়। ৩০০ কোটি টাকা মূল্যের এ বন্ড আনসিকিউরড, কনটিনজেন্ট-কনভার্টেবল, ফুললি পেইড-আপ নন-কিউমুলেটিভ। এর মধ্যে ২৭০ কোটি টাকা প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ও ৩০ কোটি টাকা পাবলিক অফারের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

 

বন্ডটির কুপন হার ৬-১০ শতাংশ। বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ৫ হাজার টাকা। বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে ইউসিবি টায়ার-১ মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করবে। এ বন্ডের ট্রাস্টির দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও অ্যারেঞ্জারের দায়িত্ব পালন করছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। এর ইস্যু ব্যবস্থাপনা ও অবলেখনের দায়িত্বে রয়েছে যথাক্রমে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও সোনালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। বন্ডটি অলটারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে তালিকাভুক্ত হবে।

 

চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) পিএলসির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৩২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৭১ পয়সায়, আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ২৭ টাকা ৪৬ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।

 

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে পর্ষদ । এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে।

 

আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭৮ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৫৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৬ টাকা ৫৯ পয়সায়।

 

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ইউসিবি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ইউসিবি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে। ২০১৯ হিসাব বছরের জন্যও শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও বাকি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ছিল। এর আগে ২০১৮ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ স্টক ও ২০১৭ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।

 

১৯৮৬ সালে শেয়ারবাজারে আসা ইউসিবির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৪৭৬ কোটি ৫৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৩৯৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪৭ কোটি ৬৫ লাখ ৪৮ হাজার ৪৭৬। এর মধ্যে ৩৩ দশমিক ৮২ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, দশমিক ৮১ শতাংশ সরকার, ২১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৪৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

 

ডিএসইতে গতকাল ইউসিবির শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ১২ টাকা ৪০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১২ টাকা ৪০ পয়সা ও ১৩ টাকা।