ঢাকা , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নাজুক হওয়ার শঙ্কা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ১২:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ৯৪৩ বার পঠিত

 

ঢাকার দুই সিটিতে বর্ষা-পরবর্তী এডিস মশার লার্ভা বা শূককীট জরিপে ভীতিকর ফল পাওয়া গেছে। চলতি ডিসেম্বর মাসের জরিপে দেখা গেছে, এখানকার বাড়িঘরে লার্ভার উপস্থিতি গত বছরের বর্ষাপরবর্তী সময়ের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেড়েছে।

 

জাতীয় ম্যালেরিয়া ও এডিসবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় এক জরিপ চালিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

 

এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর বিস্তার বেশি ঘটে বর্ষায়। এর আগের এই জরিপের মাধ্যমে পরবর্তী সময়ের সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়। গত বছর বর্ষা–পরবর্তী লার্ভা জরিপের পর জরিপকারী প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ হয়ে ওঠার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছিল। সেই আশঙ্কা সত্যি হয়েছে। দেশে এবার ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা সর্বকালের রেকর্ড ভেঙেছে।

 

একসময়ের ঢাকাকেন্দ্রিক এ রোগ এখন ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। ঢাকার তুলনায় এর বাইরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এবার দ্বিগুণের বেশি। এমন পরিস্থিতিতে বর্ষা পরবর্তী সর্বশেষ জরিপের ফলাফল আসছে বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি নাজুক হয়ে ওঠারই ইঙ্গিত দিচ্ছেজনস্বাস্থ্যবিদ, কীটতত্ত্ববিদ ও চিকিৎসকদের আশঙ্কা এমনই।

 

দেশে ২০০০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ২৪৬। এ সময় মৃত্যু হয় ৮৪৯ জনের। চলতি বছরের শুরু থেকে গত বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ৯৪৫। আর মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৭০১ জনের।

 

সাধারণত শীত মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমে আসে। স্বাভাবিকভাবে চলতি ডিসেম্বরেও (শীতে) আক্রান্ত ও মৃত্যু অন্যান্য মাসের চেয়ে কমে এসেছে। তবে এই ডিসেম্বরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা অতীতের যেকোনো ডিসেম্বর মাসের চেয়ে বেশি। গত বছরের ডিসেম্বরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৫ হাজারের বেশি, মারা গিয়েছিলেন ২৭ জন। তবে চলতি বছরের ডিসেম্বরের ২৮ দিনেই আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়েছে, মারা গেছেন ৭৯ জন।

 

কীটতত্ত্ববিদেরা বলছেন, লার্ভা থেকে সাত দিনের মধ্যে কামড় দেওয়ার উপযোগী মশার জন্ম হয়। আর লার্ভার হিসাবই বলে দেয়, এডিস মশার বিস্তার কতটা হবে। এ সম্পর্কে ধারণা পেতেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা বছরে তিনবার (প্রাক্‌-বর্ষা, বর্ষা এবং বর্ষা-পরবর্তী) রাজধানীতে লার্ভা জরিপ করে। রাজধানীর বাইরেও জরিপ হয়। ফলাফল ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকেও দেয় তারা।

 

চলতি ডিসেম্বরের ৮ থেকে ১৮ তারিখ ঢাকার দুই সিটির ৯৯টি ওয়ার্ডে বর্ষা–পরবর্তী লার্ভা জরিপ হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর সিটির ৪০টি ও দক্ষিণের ৫৯টি ওয়ার্ডে চলে জরিপের কাজ। ৩ হাজার ২৮৩টি বাড়ি থেকে সংগৃহীত নমুনায় উত্তর সিটির ১১ শতাংশের বেশি ও দক্ষিণের ১২ শতাংশের বেশি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে।

 

জরিপে যে লার্ভা পাওয়া গেছে তা গত বছরের প্রায় তিন গুণ। রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার গত বছরের বর্ষা–পরবর্তী জরিপের তথ্য বলছে, সে বছর উত্তর সিটির প্রায় ৪ শতাংশ ও দক্ষিণের ৪ শতাংশের বেশি বাড়িতে লার্ভা পাওয়া গিয়েছিল।

 

এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের স্বীকৃত পদ্ধতি ‘ব্রুটো ইনডেক্স (বিআই)’। এই মানদণ্ডে লার্ভার ঘনত্ব যত বেশি থাকে, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব তত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এবার দুই সিটিতে বিআই গত বছরের চেয়ে তিন গুণের বেশি। গত বছর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে বিআই ছিল যথাক্রমে প্রায় ৪ ও ৫ শতাংশের বেশি। চলতি বছর এ হার যথাক্রমে ১৩ ও ১৪ শতাংশের বেশি।

 

এদিকে সাধারণত বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার লার্ভা বেশি পাওয়া যায়। গত আগস্টের শেষ সপ্তাহে বর্ষাকালীন লার্ভা জরিপ হয় দুই সিটিতে। উত্তর সিটির ১ হাজার ৩৩৫টি বাড়ি ও দক্ষিণের ১ হাজার ৮১৫টি বাড়িতে এ জরিপ হয়। জরিপে উত্তরের ২৩ ভাগ ও দক্ষিণের ১৯ ভাগ বাড়িতে লার্ভা পাওয়া যায়। অথচ গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত জরিপে রাজধানীর ১২ শতাংশের বেশি বাড়িতে লার্ভা পাওয়া গেছে। এবার বর্ষা–পরবর্তী সময়েই গত বছরের বর্ষার মতো লার্ভা পাওয়া গেল। এটি আগামী বছরের জন্য বিপদের পূর্বাভাস বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

সাধারণত তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে এলে লার্ভা থেকে ডিম হতে পারে না। তবে চলতি ডিসেম্বরে রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জনস্বাস্থ্যবিদ মুশতাক হোসেন বলছিলেন, আবহাওয়ার এই ধারাবাহিকতায় এডিসের বিস্তার রোধ করা কঠিন হবে। রোগী বাড়তে থাকলে দ্বিতীয়বারের মতো আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়বে। তাতে মৃত্যু বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। শীতে তাপমাত্রা কমে এডিস মশার বংশবিস্তারে ভাটা পড়ে। কিন্তু এবার তা হলো না। তাই সামনে পদক্ষেপ নিতে হবে অতীতের যেকোনো বছরের চেয়ে অনেক বেশি।

 

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দুই সিটি কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানা মহলে সমালোচনা আছে। মশা নিয়ন্ত্রণে তারা সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ায় উদ্যোগী হচ্ছে না বলে মনে করেন অনেকে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

ঢাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নাজুক হওয়ার শঙ্কা

আপডেটঃ ১২:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩

 

ঢাকার দুই সিটিতে বর্ষা-পরবর্তী এডিস মশার লার্ভা বা শূককীট জরিপে ভীতিকর ফল পাওয়া গেছে। চলতি ডিসেম্বর মাসের জরিপে দেখা গেছে, এখানকার বাড়িঘরে লার্ভার উপস্থিতি গত বছরের বর্ষাপরবর্তী সময়ের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেড়েছে।

 

জাতীয় ম্যালেরিয়া ও এডিসবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় এক জরিপ চালিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

 

এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর বিস্তার বেশি ঘটে বর্ষায়। এর আগের এই জরিপের মাধ্যমে পরবর্তী সময়ের সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়। গত বছর বর্ষা–পরবর্তী লার্ভা জরিপের পর জরিপকারী প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ হয়ে ওঠার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছিল। সেই আশঙ্কা সত্যি হয়েছে। দেশে এবার ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা সর্বকালের রেকর্ড ভেঙেছে।

 

একসময়ের ঢাকাকেন্দ্রিক এ রোগ এখন ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। ঢাকার তুলনায় এর বাইরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এবার দ্বিগুণের বেশি। এমন পরিস্থিতিতে বর্ষা পরবর্তী সর্বশেষ জরিপের ফলাফল আসছে বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি নাজুক হয়ে ওঠারই ইঙ্গিত দিচ্ছেজনস্বাস্থ্যবিদ, কীটতত্ত্ববিদ ও চিকিৎসকদের আশঙ্কা এমনই।

 

দেশে ২০০০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ২৪৬। এ সময় মৃত্যু হয় ৮৪৯ জনের। চলতি বছরের শুরু থেকে গত বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ৯৪৫। আর মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৭০১ জনের।

 

সাধারণত শীত মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমে আসে। স্বাভাবিকভাবে চলতি ডিসেম্বরেও (শীতে) আক্রান্ত ও মৃত্যু অন্যান্য মাসের চেয়ে কমে এসেছে। তবে এই ডিসেম্বরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা অতীতের যেকোনো ডিসেম্বর মাসের চেয়ে বেশি। গত বছরের ডিসেম্বরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৫ হাজারের বেশি, মারা গিয়েছিলেন ২৭ জন। তবে চলতি বছরের ডিসেম্বরের ২৮ দিনেই আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়েছে, মারা গেছেন ৭৯ জন।

 

কীটতত্ত্ববিদেরা বলছেন, লার্ভা থেকে সাত দিনের মধ্যে কামড় দেওয়ার উপযোগী মশার জন্ম হয়। আর লার্ভার হিসাবই বলে দেয়, এডিস মশার বিস্তার কতটা হবে। এ সম্পর্কে ধারণা পেতেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা বছরে তিনবার (প্রাক্‌-বর্ষা, বর্ষা এবং বর্ষা-পরবর্তী) রাজধানীতে লার্ভা জরিপ করে। রাজধানীর বাইরেও জরিপ হয়। ফলাফল ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকেও দেয় তারা।

 

চলতি ডিসেম্বরের ৮ থেকে ১৮ তারিখ ঢাকার দুই সিটির ৯৯টি ওয়ার্ডে বর্ষা–পরবর্তী লার্ভা জরিপ হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর সিটির ৪০টি ও দক্ষিণের ৫৯টি ওয়ার্ডে চলে জরিপের কাজ। ৩ হাজার ২৮৩টি বাড়ি থেকে সংগৃহীত নমুনায় উত্তর সিটির ১১ শতাংশের বেশি ও দক্ষিণের ১২ শতাংশের বেশি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে।

 

জরিপে যে লার্ভা পাওয়া গেছে তা গত বছরের প্রায় তিন গুণ। রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার গত বছরের বর্ষা–পরবর্তী জরিপের তথ্য বলছে, সে বছর উত্তর সিটির প্রায় ৪ শতাংশ ও দক্ষিণের ৪ শতাংশের বেশি বাড়িতে লার্ভা পাওয়া গিয়েছিল।

 

এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের স্বীকৃত পদ্ধতি ‘ব্রুটো ইনডেক্স (বিআই)’। এই মানদণ্ডে লার্ভার ঘনত্ব যত বেশি থাকে, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব তত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এবার দুই সিটিতে বিআই গত বছরের চেয়ে তিন গুণের বেশি। গত বছর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে বিআই ছিল যথাক্রমে প্রায় ৪ ও ৫ শতাংশের বেশি। চলতি বছর এ হার যথাক্রমে ১৩ ও ১৪ শতাংশের বেশি।

 

এদিকে সাধারণত বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার লার্ভা বেশি পাওয়া যায়। গত আগস্টের শেষ সপ্তাহে বর্ষাকালীন লার্ভা জরিপ হয় দুই সিটিতে। উত্তর সিটির ১ হাজার ৩৩৫টি বাড়ি ও দক্ষিণের ১ হাজার ৮১৫টি বাড়িতে এ জরিপ হয়। জরিপে উত্তরের ২৩ ভাগ ও দক্ষিণের ১৯ ভাগ বাড়িতে লার্ভা পাওয়া যায়। অথচ গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত জরিপে রাজধানীর ১২ শতাংশের বেশি বাড়িতে লার্ভা পাওয়া গেছে। এবার বর্ষা–পরবর্তী সময়েই গত বছরের বর্ষার মতো লার্ভা পাওয়া গেল। এটি আগামী বছরের জন্য বিপদের পূর্বাভাস বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

সাধারণত তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে এলে লার্ভা থেকে ডিম হতে পারে না। তবে চলতি ডিসেম্বরে রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জনস্বাস্থ্যবিদ মুশতাক হোসেন বলছিলেন, আবহাওয়ার এই ধারাবাহিকতায় এডিসের বিস্তার রোধ করা কঠিন হবে। রোগী বাড়তে থাকলে দ্বিতীয়বারের মতো আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়বে। তাতে মৃত্যু বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। শীতে তাপমাত্রা কমে এডিস মশার বংশবিস্তারে ভাটা পড়ে। কিন্তু এবার তা হলো না। তাই সামনে পদক্ষেপ নিতে হবে অতীতের যেকোনো বছরের চেয়ে অনেক বেশি।

 

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দুই সিটি কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানা মহলে সমালোচনা আছে। মশা নিয়ন্ত্রণে তারা সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ায় উদ্যোগী হচ্ছে না বলে মনে করেন অনেকে।