ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হুতিদের ২৪টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করল যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ১২:২৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ৯২৯ বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটিশ বাহিনী ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া ২৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করে ভূপাতিত করেছে। লোহিতসাগরে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনের পথে চলা জাহাজগুলো লক্ষ্য করে এসব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

 

মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, হুতিদের চালানো এই ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় লোহিত সাগরে কোনো জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। কেউ আহত হননি।

 

এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি যুদ্ধজাহাজ (ডেস্ট্রয়ার) অংশ নেয়। ‘অপারেশন প্রোসপারিটি গার্ডিয়ান’-এর অংশ হিসেবে বর্তমানে লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি জাহাজ রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচলের সুরক্ষায় নেওয়া একটি বহুজাতিক প্রচেষ্টা ‘অপারেশন প্রোসপারিটি গার্ডিয়ান’। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক এই নৌ জোটে বিশ্বের ২০টির বেশি দেশ রয়েছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা গতকাল বলেন, তাঁরা নিশ্চিত করতে পারেন যে আজ (মঙ্গলবার) দক্ষিণ লোহিত সাগরের কাছে হুতিরা হামলা চালিয়েছে। এ বিষয়ে আরও তথ্য হাতে এলে তাঁরা তা জানাবেন।ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো একই সঙ্গে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। গাজা যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণসহ আঞ্চলিক উত্তেজনা রোধ করার প্রয়াসে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এখন মধ্যপ্রাচ্য সফর করছেন। তাঁর এই সফরের মধ্যেই হুতিরা লোহিত সাগরে ব্যাপক হামলা চালাল।

 

ইরান-সমর্থিত হুতিরা বলছে, গাজার ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তারা লোহিত সাগরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।

 

প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত মাসে আক্রমণগুলি মোকাবেলা করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক জোট গঠন করেছে। যা কিছু শিপিং লাইনকে দক্ষিণ আফ্রিকার চারপাশে দীর্ঘ সমুদ্রপথ নিতে এবং লোহিত সাগরকে পুরোপুরি এড়াতে প্ররোচিত করেছে। তবে বহুজাতিক টহল কোনো কাজে আসবে না বলে দাবি করেছিল হুতিরা।

 

সংগঠনটির একজন সিনিয়র নেতা তখন বলেন, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক জোট গঠন লোহিতসাগরে হুতিদের জাহাজ আক্রমণ করা থেকে থামাতে পারবে না।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

হুতিদের ২৪টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করল যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য

আপডেটঃ ১২:২৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটিশ বাহিনী ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া ২৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করে ভূপাতিত করেছে। লোহিতসাগরে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনের পথে চলা জাহাজগুলো লক্ষ্য করে এসব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

 

মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, হুতিদের চালানো এই ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় লোহিত সাগরে কোনো জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। কেউ আহত হননি।

 

এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি যুদ্ধজাহাজ (ডেস্ট্রয়ার) অংশ নেয়। ‘অপারেশন প্রোসপারিটি গার্ডিয়ান’-এর অংশ হিসেবে বর্তমানে লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি জাহাজ রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচলের সুরক্ষায় নেওয়া একটি বহুজাতিক প্রচেষ্টা ‘অপারেশন প্রোসপারিটি গার্ডিয়ান’। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক এই নৌ জোটে বিশ্বের ২০টির বেশি দেশ রয়েছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা গতকাল বলেন, তাঁরা নিশ্চিত করতে পারেন যে আজ (মঙ্গলবার) দক্ষিণ লোহিত সাগরের কাছে হুতিরা হামলা চালিয়েছে। এ বিষয়ে আরও তথ্য হাতে এলে তাঁরা তা জানাবেন।ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো একই সঙ্গে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। গাজা যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণসহ আঞ্চলিক উত্তেজনা রোধ করার প্রয়াসে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এখন মধ্যপ্রাচ্য সফর করছেন। তাঁর এই সফরের মধ্যেই হুতিরা লোহিত সাগরে ব্যাপক হামলা চালাল।

 

ইরান-সমর্থিত হুতিরা বলছে, গাজার ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তারা লোহিত সাগরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।

 

প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত মাসে আক্রমণগুলি মোকাবেলা করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক জোট গঠন করেছে। যা কিছু শিপিং লাইনকে দক্ষিণ আফ্রিকার চারপাশে দীর্ঘ সমুদ্রপথ নিতে এবং লোহিত সাগরকে পুরোপুরি এড়াতে প্ররোচিত করেছে। তবে বহুজাতিক টহল কোনো কাজে আসবে না বলে দাবি করেছিল হুতিরা।

 

সংগঠনটির একজন সিনিয়র নেতা তখন বলেন, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক জোট গঠন লোহিতসাগরে হুতিদের জাহাজ আক্রমণ করা থেকে থামাতে পারবে না।