আশুগঞ্জ পাওয়ার বন্ডের বিনিয়োগ ফেরত দেয়া শুরু
- আপডেটঃ ০৫:৫৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪
- / ১০২৩ বার পঠিত
বিদ্যুৎ খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেডের (এপিএসসিএল) বন্ডে বিনিয়োগের অর্থ চতুর্থ বছর থেকে বিনিয়োগকারীদের ফেরত দেয়া হবে। সে অনুসারে বন্ডটি লেনদেন শুরুর চতুর্থ বছরে বিনিয়োগকৃত অর্থের ২৫ শতাংশ ফেতর দেয়ার কার্যক্রম চলতি মাসে শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে পঞ্চম বছরে ২৫ শতাংশ, ষষ্ঠ বছরে ২৫ ও সপ্তম বছরে বাকি ২৫ শতাংশ অর্থও ফেরত দেয়া হবে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গত বছরের ৫ জুলাই থেকে এ বছরের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত দ্বিতীয় অর্ধবার্ষিকে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ কুপন রেট ঘোষণা করেছে এপিএসসিএল নন-কনভার্টিবল অ্যান্ড ফুললি রিডিমেবল কুপন বেয়ারিং বন্ডের ট্রাস্টি। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল ৪ জানুয়ারি।
এর আগে গত বছরের ৫ জানুয়ারি থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত সময়ে বন্ডহোল্ডারদের জন্য ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ কুপন রেট ঘোষণা করেছে বন্ডের ট্রাস্টি। ২০২২ সালের ৫ জুলাই থেকে গত বছরের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের জন্য ইউনিটহোল্ডারদের ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ কুপন রেট হারে মুনাফা দিয়েছে বন্ডটি। ওই বছরের ৫ জানুয়ারি থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত সময়ের জন্যও ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ হারে মুনাফা পেয়েছিলেন বন্ডটির ইউনিটহোল্ডাররা।
বন্ডটির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩০ জুন ২০২৩ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং ঘোষণার তারিখ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ তথ্য জানিয়েছে ক্রেডিটি রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।
২০২০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় এপিএসসিএলের নন-কনভার্টিবল অ্যান্ড ফুললি রিডিমেবল কুপন বিয়ারিং বন্ডটি। প্রতিটি ৫ হাজার টাকা ইস্যু মূল্যের ২ লাখ টাকার বন্ড আইপিওর মাধ্যমে ইস্যু করে এপিএসসিএল। ১৮২ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের সুদহারের সঙ্গে ৪ শতাংশ মার্জিন যোগ করে এপিএসসিএল বন্ডের বার্ষিক কুপন সুদহার নির্ধারিত হয়।
এর পরিমাণ ৮ দশমিক ৫ ও ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। এ কুপন অর্ধবার্ষিক মেয়াদে প্রদেয়। আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৫ হাজার টাকায় কোম্পানিটির একটি বন্ড বরাদ্দ ছিল। আইপিওতে আসার পরে প্রথম তিন বছর বিনিয়োগকারীরা ট্রেজারি বিলের সুদহারের সঙ্গে মার্জিনযুক্ত হারে লভ্যাংশ পান।
চতুর্থ বছর লভ্যাংশের পাশাপাশি বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত দেয়া শুরু হবে। এর মধ্যে চতুর্থ বছরে ২৫ শতাংশ, পঞ্চম বছরে ২৫, ষষ্ঠ বছরে ২৫ ও সপ্তম বছরে ২৫ শতাংশ অর্থ ফেরত পাবেন। আর সপ্তম বছর শেষে বিনিয়োগকারীদের পাওনা পুরোপুরি পরিশোধের পর বন্ডটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। বন্ডটি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত অন্যান্য সিকিউরিটিজের মতোই লেনদেনযোগ্য। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত এক বছরে বন্ডটির ইউনিট দর ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার ৭০০ টাকা ছিল।










