ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রমাণ দেবে তুরস্ক গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর গণহত্যার

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৩:৪২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ১০১৫ বার পঠিত

 

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যার নথি সরবরাহ করে যাবে তুরস্ক। আর সেগুলোর বেশির ভাগই ভিজ্যুয়াল নথি।

 

গতকাল শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) তুরস্কের রাজধানী ইস্তানবুলে এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তুর্কি প্রেসিডেন্ট। খবর রয়টার্সের।

 

এরদোগান বলেন, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর গণহত্যার নথি সরবরাহ করে যাবে তুরস্ক। আর সেগুলোর বেশিরভাগই ভিজ্যুয়াল নথি।

 

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, ইসরাইল দোষী সাব্যস্ত হবে। আমরা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করি।ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যার অভিযোগ তুলে গত ৩০ ডিসেম্বর মামলার আবেদন জমা দেওয়ার দিন আইসিজেকে দ্রুত এ বিষয়ে শুনানির অনুরোধ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই অনুরোধে সাড়া দিয়ে ১১ জানুয়ারি শুনানি শুরুর দিন ধার্য করেন বিশ্ব আদালত।

 

শুনানির দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে আদালতের বাইরে ইসরাইলের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করেন হাজারও মানুষ।আদালতের বাইরে গতকালের শুনানি সম্প্রচার করা হচ্ছিল বিশাল এক পর্দায়। হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই সেখানে ছিল নারী–পুরুষ থেকে বৃদ্ধ–শিশু-হাজারও মানুষের সমাগম। তাদের হাতে ফিলিস্তিনের পতাকা আর গাজায় যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে লেখা প্ল্যাকার্ড।

 

ইসরাইলের বিরুদ্ধে গাজায় ২৩ হাজার বেসামরিক মানুষ হত্যার মাধ্যমে গণহত্যার অভিযোগ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, যেখানে ১০ হাজারের বেশি শিশু।

 

ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে এরদোয়ানকে জবাব দিয়ে বলেছেন, অতীতে আর্মেনিয়ায় গণহত্যা চালানো দেশ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এখন ভিত্তিহীন দাবি নিয়ে ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছেন। ইসরায়েল আপনার বর্বর মিত্রদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার জন্য দাঁড়িয়েছে, ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নয়।

 

উল্লেখ্য, ১৯১৫ সালে অটোমান তুর্কি বাহিনীর হাতে লাখ লাখ আর্মেনিয়ানের নিহত হওয়াকে ২০২১ সালে ‘গণহত্যা’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তুরস্ক প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর য় আর্মেনিয়ানদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার কথা স্বীকার করলেও তাকে ‘গণহত্যা’ বলতে নারাজ।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

প্রমাণ দেবে তুরস্ক গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর গণহত্যার

আপডেটঃ ০৩:৪২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪

 

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যার নথি সরবরাহ করে যাবে তুরস্ক। আর সেগুলোর বেশির ভাগই ভিজ্যুয়াল নথি।

 

গতকাল শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) তুরস্কের রাজধানী ইস্তানবুলে এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তুর্কি প্রেসিডেন্ট। খবর রয়টার্সের।

 

এরদোগান বলেন, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর গণহত্যার নথি সরবরাহ করে যাবে তুরস্ক। আর সেগুলোর বেশিরভাগই ভিজ্যুয়াল নথি।

 

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, ইসরাইল দোষী সাব্যস্ত হবে। আমরা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করি।ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যার অভিযোগ তুলে গত ৩০ ডিসেম্বর মামলার আবেদন জমা দেওয়ার দিন আইসিজেকে দ্রুত এ বিষয়ে শুনানির অনুরোধ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই অনুরোধে সাড়া দিয়ে ১১ জানুয়ারি শুনানি শুরুর দিন ধার্য করেন বিশ্ব আদালত।

 

শুনানির দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে আদালতের বাইরে ইসরাইলের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করেন হাজারও মানুষ।আদালতের বাইরে গতকালের শুনানি সম্প্রচার করা হচ্ছিল বিশাল এক পর্দায়। হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই সেখানে ছিল নারী–পুরুষ থেকে বৃদ্ধ–শিশু-হাজারও মানুষের সমাগম। তাদের হাতে ফিলিস্তিনের পতাকা আর গাজায় যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে লেখা প্ল্যাকার্ড।

 

ইসরাইলের বিরুদ্ধে গাজায় ২৩ হাজার বেসামরিক মানুষ হত্যার মাধ্যমে গণহত্যার অভিযোগ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, যেখানে ১০ হাজারের বেশি শিশু।

 

ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে এরদোয়ানকে জবাব দিয়ে বলেছেন, অতীতে আর্মেনিয়ায় গণহত্যা চালানো দেশ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এখন ভিত্তিহীন দাবি নিয়ে ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছেন। ইসরায়েল আপনার বর্বর মিত্রদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার জন্য দাঁড়িয়েছে, ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নয়।

 

উল্লেখ্য, ১৯১৫ সালে অটোমান তুর্কি বাহিনীর হাতে লাখ লাখ আর্মেনিয়ানের নিহত হওয়াকে ২০২১ সালে ‘গণহত্যা’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তুরস্ক প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর য় আর্মেনিয়ানদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার কথা স্বীকার করলেও তাকে ‘গণহত্যা’ বলতে নারাজ।