ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ৪২টি দেশে ভ্রমণের সুযোগ বাংলাদেশিদের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৪:৫৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ৯৯২ বার পঠিত

 

ভ্রমণ করতে কার না ভালো লাগে। ভ্রমণ পিপাসুরা দেশ-বিদেশ ঘুরতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। কমবেশি সবারই দূরে কোথাও ঘুরে আসতে ভীষণ ভালো লাগে। এ ক্ষেত্রে একদিকে যেমন প্রকৃতির খুব কাছাকাছি থাকা যায়, তেমনি বাড়ে জ্ঞানের ভান্ডারও। নিজ দেশের পাশাপাশি অনেকেই বিদেশের মাটিতে ভ্রমণ করতে চান।তবে সাধ বা সাধ্য কিংবা পাসপোর্ট আর ভিসার ঝক্কি-ঝামেলার কারণে অনেকেরই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বিদেশ ভ্রমণ করা হয়ে ওঠে না। যারা ভ্রমণে একেবারেই নতুন, তারাও দেশের বাইরে ঘুরে আসতে চাইলে জেনে নিতে পারেন বিশেষ কিছু তথ্য। কারণ, দেশের বাইরে ঘুরে আসতে চাইলে বাংলাদেশি পর্যটকদের অনেক দেশেই ভিসার প্রয়োজন হয় না।

 

২০২৪ সালের প্রথম প্রান্তিকে বিশ্বের পাসপোর্টগুলোর অবস্থান কেমন? ১০ জানুয়ারি সেই র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা দ্য হ্যানলি অ্যান্ড পার্টনার্স। শক্তিশালী পাসপোর্টের দিক থেকে প্রথম স্থানে আছে ইউরোপ ও এশিয়ার ছয়টি দেশ—ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, সিঙ্গাপুর ও স্পেন। এসব দেশের নাগরিকেরা বিশ্বের ১৯৪ দেশ ও অঞ্চলে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করতে পারবেন। তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে, অর্থাৎ ৯৭তম। বিশ্বে ভিসামুক্ত চলাচল স্বাধীনতার ওপর গবেষণা করে এ সূচক প্রকাশ করে তারা।

 

সাম্প্রতিক এ সূচকের তথ্য বলছে, বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা এখন আগাম ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৪২টি দেশ ও অঞ্চলে ভ্রমণ করতে পারেন। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৪০। নতুন র‍্যাঙ্কিংয়ে যুক্ত হয়েছে আরও দুটি নাম, আফ্রিকার কেনিয়া ও ওশেনিয়ার কিরিবাতি।

 

আগাম ভিসা ছাড়া বাংলাদেশিদের ভ্রমণের এই তালিকায় আছে এশিয়ার ৬টি দেশ। এ ছাড়া আছে দক্ষিণ আমেরিকার ১টি, আফ্রিকার ১৬টি, ক্যারিবীয় ১১টি ও ওশেনিয়ার ৮টি দেশ ও অঞ্চল। এর মধ্যে কিছু দেশ ও অঞ্চলে (এক তারকাচিহ্নিত) অন অ্যারাইভাল বা বিমানবন্দরে নামার পর ভিসার সুবিধা পান বাংলাদেশিরা। শ্রীলঙ্কা ও কেনিয়ার ক্ষেত্রে নিতে হবে ই-ভিসা।

 

এশিয়াঃ

ভুটান, কম্বোডিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পূর্ব তিমুর।

 

দক্ষিণ আমেরিকাঃ

বলিভিয়া ।

 

আফ্রিকাঃ

বুরুন্ডি, কেপ ভার্দে, কমোরো দ্বীপপুঞ্জ, জিবুতি, গিনি-বিসাউ, লেসোথো, মাদাগাস্কার, মৌরিতানিয়া, মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, গাম্বিয়া, টোগো, কেনিয়া।

 

ক্যারিবীয়ঃ

বাহামা, বার্বাডোস, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, ডমিনিকা, গ্রানাডা, হাইতি, জ্যামাইকা, মন্টসেরাত, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডাউন, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো।

 

ওশেনিয়াঃ

কুক আইল্যান্ড, ফিজি, মাইক্রোনেশিয়া, নুউয়ে, সামোয়া, টুভালু, ভানুয়াতু, কিরিবাতি।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ৪২টি দেশে ভ্রমণের সুযোগ বাংলাদেশিদের

আপডেটঃ ০৪:৫৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪

 

ভ্রমণ করতে কার না ভালো লাগে। ভ্রমণ পিপাসুরা দেশ-বিদেশ ঘুরতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। কমবেশি সবারই দূরে কোথাও ঘুরে আসতে ভীষণ ভালো লাগে। এ ক্ষেত্রে একদিকে যেমন প্রকৃতির খুব কাছাকাছি থাকা যায়, তেমনি বাড়ে জ্ঞানের ভান্ডারও। নিজ দেশের পাশাপাশি অনেকেই বিদেশের মাটিতে ভ্রমণ করতে চান।তবে সাধ বা সাধ্য কিংবা পাসপোর্ট আর ভিসার ঝক্কি-ঝামেলার কারণে অনেকেরই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বিদেশ ভ্রমণ করা হয়ে ওঠে না। যারা ভ্রমণে একেবারেই নতুন, তারাও দেশের বাইরে ঘুরে আসতে চাইলে জেনে নিতে পারেন বিশেষ কিছু তথ্য। কারণ, দেশের বাইরে ঘুরে আসতে চাইলে বাংলাদেশি পর্যটকদের অনেক দেশেই ভিসার প্রয়োজন হয় না।

 

২০২৪ সালের প্রথম প্রান্তিকে বিশ্বের পাসপোর্টগুলোর অবস্থান কেমন? ১০ জানুয়ারি সেই র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা দ্য হ্যানলি অ্যান্ড পার্টনার্স। শক্তিশালী পাসপোর্টের দিক থেকে প্রথম স্থানে আছে ইউরোপ ও এশিয়ার ছয়টি দেশ—ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, সিঙ্গাপুর ও স্পেন। এসব দেশের নাগরিকেরা বিশ্বের ১৯৪ দেশ ও অঞ্চলে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করতে পারবেন। তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে, অর্থাৎ ৯৭তম। বিশ্বে ভিসামুক্ত চলাচল স্বাধীনতার ওপর গবেষণা করে এ সূচক প্রকাশ করে তারা।

 

সাম্প্রতিক এ সূচকের তথ্য বলছে, বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা এখন আগাম ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৪২টি দেশ ও অঞ্চলে ভ্রমণ করতে পারেন। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৪০। নতুন র‍্যাঙ্কিংয়ে যুক্ত হয়েছে আরও দুটি নাম, আফ্রিকার কেনিয়া ও ওশেনিয়ার কিরিবাতি।

 

আগাম ভিসা ছাড়া বাংলাদেশিদের ভ্রমণের এই তালিকায় আছে এশিয়ার ৬টি দেশ। এ ছাড়া আছে দক্ষিণ আমেরিকার ১টি, আফ্রিকার ১৬টি, ক্যারিবীয় ১১টি ও ওশেনিয়ার ৮টি দেশ ও অঞ্চল। এর মধ্যে কিছু দেশ ও অঞ্চলে (এক তারকাচিহ্নিত) অন অ্যারাইভাল বা বিমানবন্দরে নামার পর ভিসার সুবিধা পান বাংলাদেশিরা। শ্রীলঙ্কা ও কেনিয়ার ক্ষেত্রে নিতে হবে ই-ভিসা।

 

এশিয়াঃ

ভুটান, কম্বোডিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পূর্ব তিমুর।

 

দক্ষিণ আমেরিকাঃ

বলিভিয়া ।

 

আফ্রিকাঃ

বুরুন্ডি, কেপ ভার্দে, কমোরো দ্বীপপুঞ্জ, জিবুতি, গিনি-বিসাউ, লেসোথো, মাদাগাস্কার, মৌরিতানিয়া, মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, গাম্বিয়া, টোগো, কেনিয়া।

 

ক্যারিবীয়ঃ

বাহামা, বার্বাডোস, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, ডমিনিকা, গ্রানাডা, হাইতি, জ্যামাইকা, মন্টসেরাত, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডাউন, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো।

 

ওশেনিয়াঃ

কুক আইল্যান্ড, ফিজি, মাইক্রোনেশিয়া, নুউয়ে, সামোয়া, টুভালু, ভানুয়াতু, কিরিবাতি।