ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
- আপডেটঃ ০২:০০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪
- / ৯৯৮ বার পঠিত
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম শিকদারের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলার ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ রোববার (১৪ জানুয়ারি) সকালে তাকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় বনানী থানা পুলিশ। এর আগে গত বছরের ২৫ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিলো।
তিনি বলেন, আলেশা মার্টের চেয়ারম্যানকে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঞ্জুরের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনেও মামলা আছে। এই মামলার বাদী পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তার বিরুদ্ধে শতাধিক মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
সিআইডির তথ্যমতে, ২০২০ সালের ২৬ জুলাই আলেশা মার্ট যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তর থেকে নিবন্ধন পায়। প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে আলেশা মার্টের যাত্রা শুরু হয় ২০২১ সালের ৭ জানুয়ারি।
যাত্রা শুরুর পর কম মূল্যে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য সরবরাহের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নেয় প্রতিষ্ঠানটি। তবে বহু গ্রাহককে পণ্য না দিয়ে কিংবা টাকা ফেরত না দিয়ে ই-কমার্স ব্যবসার আড়ালে প্রতারণার মাধ্যমে তারা টাকা পাচার (মানি লন্ডারিং) করে বলে দাবি সিআইডির।
সিআইডি বলছে, চারটি বেসরকারি ব্যাংকে আলেশা মার্টের চারটি ব্যাংক হিসাব থেকে ৪২১ কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মঞ্জুর ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে ৩১ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ কেনা হয়েছে। ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে এই সম্পদ কেনা হয়।
মঞ্জুরের ২০২০-২১ অর্থবছরের আয়কর বিবরণীর তথ্য তুলে ধরে সিআইডি বলছে, বেতন ও আনুষঙ্গিক মিলে তাঁর আয় ছিল মাত্র ১৩ লাখ ৯০ হাজার। অথচ সাত মাসের ব্যবধানে তিনি ৩১ কোটি টাকার সম্পদ কেনেন।
ঢাকার দ্বিতীয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ খসরুজ্জামান শিকদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
সেসময়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হল। সাক্ষ্য গ্রহণ শুরুর তারিখ এখনও পড়েনি।এর আগে পলাতক মঞ্জুর আলম শিকদারসহ চারজনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তাদের সম্পত্তি অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম আহমেদ হুমায়ুন কবীর।
সেসময়ে সমন জারির পরও আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় ওই বছরের জানুয়ারিতে মঞ্জুর আলম শিকদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।










