ঢাকা , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাগরে ভাসলো বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম প্রমোদতরি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৪:৪০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ৯৬৪ বার পঠিত

যাত্রা শুরু করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরী ‘আইকন অব দ্য সিজ’। প্রথম যাত্রায় এতে যে-সংখ্যক যাত্রী উঠেছেন, তা ছোটখাটো একটি শহরের জনসংখ্যার সমান।

 

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) সূর্যাস্তের আগে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যের মায়ামি বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে জাহাজটি। টাইটানিকের চেয়েও বড় এই প্রমোদতরী যেন সাগরের অন্তহীন নীলের মাঝে আস্ত এক মায়া নগরী। এতে আছে বিনোদনের এক অনন্য জগত। খবর দ্য ইকোনমিক টাইমসের।

 

প্রমোদতরিটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনালের মালিকানাধীন। ফিনল্যান্ডের তুর্কুতে একটি শিপইয়ার্ডে এটি তৈরি করতে সময় লেগেছে ৯০০ দিন। প্রমোদতরিটি আইফেল টাওয়ারের চেয়ে লম্বা। এটিতে ২০টি ডেক ও কামরা আছে, যেগুলোয় ৫ হাজার ৬০০-এর বেশি (সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ৭ হাজার ৬০০) যাত্রী ধারণ করা যায়। এর ক্রুর সংখ্যা ২ হাজার ৩৫০। যাত্রীরা যেন একঘেয়ে বোধ না করেন, তা নিশ্চিত করতে প্রমোদতরিতে বিভিন্ন ধরনের সুব্যবস্থা রয়েছে। এতে আছে ৭টি সুইমিংপুল, ৪০ হাজার গ্যালন পানির একটি ‘হ্রদ’, ৬টি ওয়াটার স্লাইড, একটি ক্যারোসেল এবং ৪০টির বেশি খাবারের জায়গা ও বার।

এরপরও যদি যাত্রীর একঘেয়ে লাগে, তাহলে তাঁরা হারিয়ে যেতে পারেন সুরের জগতে। প্রমোদতরিটিতে আছেন ৫০ জন সংগীতশিল্পী ও কমেডিয়ান। আছে অর্কেস্ট্রার আয়োজনও।

 

‘আইকন অব দ্য সিজ’ তৈরিতে খরচ পড়েছে ২০০ কোটি ডলার। এটিতে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনাল। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রমোদতরিটি পরিবেশবান্ধব তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসে (এলএনজি) চলবে। যদিও বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করেন, এলএনজি ব্যবস্থা ব্যবহারের কারণে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস লিক হয়ে পরিবেশ মিশে যেতে পারে।রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনাল প্রমোদতরিটিতে বেতারতরঙ্গ ব্যবস্থায় পরিচালিত পাইরোলাইসিস প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হচ্ছে। এ প্রযুক্তির সাহায্যে বর্জ্যকে জ্বালানি গ্যাসে পরিণত করা হয়। জাহাজে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে রিভার্স অসমোসিস ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

 

গত মঙ্গলবার আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি প্রমোদতরিটির উদ্বোধন করেন।

গতকাল প্রথম যাত্রার টিকিটগুলো সব আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। কোম্পানি বলেছে, টিকিটের জন্য নজিরবিহীন চাহিদা দেখা গেছে। এক সপ্তাহ ধরে ক্যারিবীয় সাগরে ঘুরে বেড়ানোর পর মায়ামিতে ফিরে আসবে প্রমোদতরিটি।

 

‘আইকন অব দ্য সিজ’ ২০০০ ফুট (৩৬৫ মিটার) দীর্ঘ। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরির খেতাব পাওয়ার আগে এ খেতাব যে জাহাজের ছিল, সেটিও রয়েল ক্যারিবিয়ানেরই তৈরি। সেটির নাম ‘ওয়ান্ডার অব দ্য সিজ’।

 

‘আইকন অব দ্য সিজ’ বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরির খেতাব পাওয়ার আগে এ খেতাব যে জাহাজের ছিল সেটিও রয়েল ক্যারিবিয়ানেরই তৈরি। সেটির নাম ‘ওয়ান্ডার অব দ্য সিজ’।এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরির খেতাব পাওয়ার আগে এ খেতাব যে জাহাজের ছিল, সেটিও রয়েল ক্যারিবিয়ানেরই তৈরি। সেটির নাম ‘ওয়ান্ডার অব দ্য সিজ’।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

সাগরে ভাসলো বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম প্রমোদতরি

আপডেটঃ ০৪:৪০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪

যাত্রা শুরু করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরী ‘আইকন অব দ্য সিজ’। প্রথম যাত্রায় এতে যে-সংখ্যক যাত্রী উঠেছেন, তা ছোটখাটো একটি শহরের জনসংখ্যার সমান।

 

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) সূর্যাস্তের আগে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যের মায়ামি বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে জাহাজটি। টাইটানিকের চেয়েও বড় এই প্রমোদতরী যেন সাগরের অন্তহীন নীলের মাঝে আস্ত এক মায়া নগরী। এতে আছে বিনোদনের এক অনন্য জগত। খবর দ্য ইকোনমিক টাইমসের।

 

প্রমোদতরিটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনালের মালিকানাধীন। ফিনল্যান্ডের তুর্কুতে একটি শিপইয়ার্ডে এটি তৈরি করতে সময় লেগেছে ৯০০ দিন। প্রমোদতরিটি আইফেল টাওয়ারের চেয়ে লম্বা। এটিতে ২০টি ডেক ও কামরা আছে, যেগুলোয় ৫ হাজার ৬০০-এর বেশি (সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ৭ হাজার ৬০০) যাত্রী ধারণ করা যায়। এর ক্রুর সংখ্যা ২ হাজার ৩৫০। যাত্রীরা যেন একঘেয়ে বোধ না করেন, তা নিশ্চিত করতে প্রমোদতরিতে বিভিন্ন ধরনের সুব্যবস্থা রয়েছে। এতে আছে ৭টি সুইমিংপুল, ৪০ হাজার গ্যালন পানির একটি ‘হ্রদ’, ৬টি ওয়াটার স্লাইড, একটি ক্যারোসেল এবং ৪০টির বেশি খাবারের জায়গা ও বার।

এরপরও যদি যাত্রীর একঘেয়ে লাগে, তাহলে তাঁরা হারিয়ে যেতে পারেন সুরের জগতে। প্রমোদতরিটিতে আছেন ৫০ জন সংগীতশিল্পী ও কমেডিয়ান। আছে অর্কেস্ট্রার আয়োজনও।

 

‘আইকন অব দ্য সিজ’ তৈরিতে খরচ পড়েছে ২০০ কোটি ডলার। এটিতে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনাল। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রমোদতরিটি পরিবেশবান্ধব তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসে (এলএনজি) চলবে। যদিও বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করেন, এলএনজি ব্যবস্থা ব্যবহারের কারণে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস লিক হয়ে পরিবেশ মিশে যেতে পারে।রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনাল প্রমোদতরিটিতে বেতারতরঙ্গ ব্যবস্থায় পরিচালিত পাইরোলাইসিস প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হচ্ছে। এ প্রযুক্তির সাহায্যে বর্জ্যকে জ্বালানি গ্যাসে পরিণত করা হয়। জাহাজে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে রিভার্স অসমোসিস ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

 

গত মঙ্গলবার আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি প্রমোদতরিটির উদ্বোধন করেন।

গতকাল প্রথম যাত্রার টিকিটগুলো সব আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। কোম্পানি বলেছে, টিকিটের জন্য নজিরবিহীন চাহিদা দেখা গেছে। এক সপ্তাহ ধরে ক্যারিবীয় সাগরে ঘুরে বেড়ানোর পর মায়ামিতে ফিরে আসবে প্রমোদতরিটি।

 

‘আইকন অব দ্য সিজ’ ২০০০ ফুট (৩৬৫ মিটার) দীর্ঘ। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরির খেতাব পাওয়ার আগে এ খেতাব যে জাহাজের ছিল, সেটিও রয়েল ক্যারিবিয়ানেরই তৈরি। সেটির নাম ‘ওয়ান্ডার অব দ্য সিজ’।

 

‘আইকন অব দ্য সিজ’ বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরির খেতাব পাওয়ার আগে এ খেতাব যে জাহাজের ছিল সেটিও রয়েল ক্যারিবিয়ানেরই তৈরি। সেটির নাম ‘ওয়ান্ডার অব দ্য সিজ’।এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরির খেতাব পাওয়ার আগে এ খেতাব যে জাহাজের ছিল, সেটিও রয়েল ক্যারিবিয়ানেরই তৈরি। সেটির নাম ‘ওয়ান্ডার অব দ্য সিজ’।