সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছে
- আপডেটঃ ০২:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
- / ৯৯৪ বার পঠিত
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছে সাড়ে ৫ শতাংশ। অন্যদিকে আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেরও (সিএসই) সূচক বেড়েছে ও লেনদেন কমেছে। স্টক এক্সচেঞ্জের সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
শেয়ারবাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের তুলনায় দশমিক ৯৪ শতাংশ বেড়ে ৬ হাজার ২১৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৬ হাজার ১৫৬ পয়েন্টে। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ সপ্তাহের ব্যবধানে দশমিক ১০ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ১১৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ২ হাজার ১১৫ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস দশমিক ৭৯ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৬৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১ হাজার ৩৫২ পয়েন্টে। ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া মোট ৪০৭টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৮২টির, কমেছে ১৭৫টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৪০টির। এছাড়া লেনদেন হয়নি ১০টির।
গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৫৬ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহে এ মূলধন ছিল ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে দশমিক ১৫ শতাংশ বা ১ হাজার ১৪১ কোটি টাকা।
ডিএসইতে গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ৪ হাজার ৫৮৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যেখানে আগের সপ্তাহে লেনদেন ছিল ৪ হাজার ৮৫২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক্সচেঞ্জটিতে সাপ্তাহিক লেনদেন কমেছে ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড়ে ৯১৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যেখানে আগের সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৯৭০ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।
খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে প্রকৌশল খাত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ দখলে নিয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। ১১ দশমিক ৭ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সাধারণ বীমা খাত। মোট লেনদেনের ১১ শতাংশের ভিত্তিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল বস্ত্র খাত। আর খাদ্য খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।
আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইর ইতিবাচক রিটার্নের দিক দিয়ে শীর্ষে ছিল বস্ত্র, সিমেন্ট ও কাগজ খাত। এ তিন খাতে যথাক্রমে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ, ২ দশমিক ৮ ও ২ দশমিক ৩ শতাংশ রিটার্ন এসেছে। অন্যদিকে নেতিবাচক রিটার্নে শীর্ষে ছিল পাট, সিরামিকস ও ভ্রমণ খাত। এ তিন খাতে রিটার্ন কমেছে যথাক্রমে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ, ৩ দশমিক ১ ও ২ দশমিক ৯ শতাংশ।
অন্যদিকে গত সপ্তাহে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে ১৭ হাজার ৬২৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৭ হাজার ৫৫২ পয়েন্টে। সিএসসিএক্স সূচকটি গত সপ্তাহ শেষে দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়ে ১০ হাজার ৫৫৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের সপ্তাহ শেষে সূচকটির অবস্থান ছিল ১০ হাজার ৫১০ পয়েন্টে।
সিএসইতে গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ৭৮ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৯২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এ সময়ে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৩৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৫২টির, কমেছে ১৬২টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টির।










