ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইতিবাচক রিটার্ন প্রায় সব খাতের শেয়ারে

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৫:৩২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৯৯৯ বার পঠিত

ফ্লোর প্রাইস (শেয়ারদরের সর্বনিম্ন সীমা) প্রত্যাহারের পরই দেশের শেয়ারবাজারে গতি ফিরতে শুরু করেছে। সূচকে পয়েন্ট যোগ হওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার প্রভাবে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণও বাড়ছে। চলতি সপ্তাহের লেনদেনের পরিমাণ দেড় হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

এর মধ্যে গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দৈনিক লেনদেন ছাড়িয়েছে ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এদিন প্রায় সব খাতের শেয়ারেই ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে।

 

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল লেনদেন শুরুর পর প্রথম আধা ঘণ্টা শেয়ার বিক্রির চাপে পয়েন্ট হারায় সূচক। তবে এর পরই ক্রয় চাপ বাড়তে থাকায় ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে সূচক, যা শেষ পর্যন্ত বজায় ছিল। গতকাল দিন শেষে ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪২ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৩২৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৬ হাজার ২৮১ পয়েন্ট।

 

অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইর ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ ৮ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ২ হাজার ১২৫ পয়েন্ট। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস গতকাল দিন শেষে প্রায় ৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৭৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ৩৭১ পয়েন্ট। গতকাল সূচকের উত্থানে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ন্যাশনাল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক ও ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসের শেয়ারের।

 

ডিএসইতে গতকাল ১ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকার সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ৩৯৫টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দিন শেষে দর বেড়েছে ২৬১টির, কমেছে ৯৩টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৪১টি সিকিউরিটিজের বাজারদর।

 

খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৫ দশমিক ১ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে ছিল প্রকৌশল খাত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৯ শতাংশ দখলে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের। ১২ দশমিক ৫ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবস্থানে ছিল সাধারণ বীমা খাত। মোট লেনদেনের ৯ দশমিক ৫ শতাংশের ভিত্তিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল বস্ত্র খাত। ব্যাংক খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৮ দশমিক ৪ শতাংশ।

 

গতকাল ডিএসইতে সেবা ও আবাসন বাদে বাকি সব খাতের শেয়ারেই ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রিটার্ন এসেছে কাগজ ও মুদ্রণ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও প্রকৌশল খাতের শেয়ারে।

 

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

ইতিবাচক রিটার্ন প্রায় সব খাতের শেয়ারে

আপডেটঃ ০৫:৩২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ফ্লোর প্রাইস (শেয়ারদরের সর্বনিম্ন সীমা) প্রত্যাহারের পরই দেশের শেয়ারবাজারে গতি ফিরতে শুরু করেছে। সূচকে পয়েন্ট যোগ হওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার প্রভাবে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণও বাড়ছে। চলতি সপ্তাহের লেনদেনের পরিমাণ দেড় হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

এর মধ্যে গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দৈনিক লেনদেন ছাড়িয়েছে ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এদিন প্রায় সব খাতের শেয়ারেই ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে।

 

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল লেনদেন শুরুর পর প্রথম আধা ঘণ্টা শেয়ার বিক্রির চাপে পয়েন্ট হারায় সূচক। তবে এর পরই ক্রয় চাপ বাড়তে থাকায় ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে সূচক, যা শেষ পর্যন্ত বজায় ছিল। গতকাল দিন শেষে ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪২ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৩২৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৬ হাজার ২৮১ পয়েন্ট।

 

অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইর ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ ৮ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ২ হাজার ১২৫ পয়েন্ট। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস গতকাল দিন শেষে প্রায় ৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৭৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ৩৭১ পয়েন্ট। গতকাল সূচকের উত্থানে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ন্যাশনাল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক ও ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসের শেয়ারের।

 

ডিএসইতে গতকাল ১ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকার সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ৩৯৫টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দিন শেষে দর বেড়েছে ২৬১টির, কমেছে ৯৩টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৪১টি সিকিউরিটিজের বাজারদর।

 

খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৫ দশমিক ১ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে ছিল প্রকৌশল খাত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৯ শতাংশ দখলে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের। ১২ দশমিক ৫ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবস্থানে ছিল সাধারণ বীমা খাত। মোট লেনদেনের ৯ দশমিক ৫ শতাংশের ভিত্তিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল বস্ত্র খাত। ব্যাংক খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৮ দশমিক ৪ শতাংশ।

 

গতকাল ডিএসইতে সেবা ও আবাসন বাদে বাকি সব খাতের শেয়ারেই ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রিটার্ন এসেছে কাগজ ও মুদ্রণ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও প্রকৌশল খাতের শেয়ারে।