ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারের বিজিপিসহ ৩৩০ জনকে ফেরত পাঠানো হবে আগামীকাল

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০২:২৬:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৯৩৯ বার পঠিত

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রাষ্ট্রীয় জান্তা বাহিনীর সঙ্গে জাতিগত বিদ্রোহীদের চলমান সংঘর্ষে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করে বিজিপিসহ ৩৩০ জন। তাদের ১৫ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

 

আজ বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

 

বিজিবি জানায়, আগামীকাল ১৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে বিজিবি’র সার্বিক তত্ত্বাবধানে নৌবাহিনী জেটিঘাটে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপিসহ ৩৩০ জন মিয়ানমার নাগরিককে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

 

এর আগে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রাষ্ট্রীয় জান্তা বাহিনীর সঙ্গে জাতিগত বিদ্রোহীদের চলমান সংঘর্ষে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করে বিজিপিসহ ৩৩০ জন।

 

এদিকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংঘর্ষ চলছেই। কখনো থেমে থেমে, কখনো অনবরত গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটছে। কিছু জায়গায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটছে। তবে ওপারের গুলি-মর্টার শেল এখন আর এপারে আসছে না। এতে এক ধরনের স্বস্তি বিরাজ করছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যে।.

 

স্থানীয়রা বলেন, গতকাল রাত থেকে আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত ওপারে কোনো গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি। এতে এপারের মানুষ স্বস্তি নিয়ে ঘুমাতে পেরেছে।

 

স্থানীয় লোকজন বলছেন, গত শনিবারের পর নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম, উখিয়ার পালংখালী ও টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের এপারে গুলি ও মর্টার শেল উড়ে আসেনি। তবে ওপারের সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রচুর গোলাগুলি ও ভারী গোলাবর্ষণের শব্দ শোনা গেছে। কিছু এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

মিয়ানমারের বিজিপিসহ ৩৩০ জনকে ফেরত পাঠানো হবে আগামীকাল

আপডেটঃ ০২:২৬:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রাষ্ট্রীয় জান্তা বাহিনীর সঙ্গে জাতিগত বিদ্রোহীদের চলমান সংঘর্ষে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করে বিজিপিসহ ৩৩০ জন। তাদের ১৫ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

 

আজ বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

 

বিজিবি জানায়, আগামীকাল ১৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে বিজিবি’র সার্বিক তত্ত্বাবধানে নৌবাহিনী জেটিঘাটে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপিসহ ৩৩০ জন মিয়ানমার নাগরিককে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

 

এর আগে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রাষ্ট্রীয় জান্তা বাহিনীর সঙ্গে জাতিগত বিদ্রোহীদের চলমান সংঘর্ষে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করে বিজিপিসহ ৩৩০ জন।

 

এদিকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংঘর্ষ চলছেই। কখনো থেমে থেমে, কখনো অনবরত গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটছে। কিছু জায়গায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটছে। তবে ওপারের গুলি-মর্টার শেল এখন আর এপারে আসছে না। এতে এক ধরনের স্বস্তি বিরাজ করছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যে।.

 

স্থানীয়রা বলেন, গতকাল রাত থেকে আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত ওপারে কোনো গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি। এতে এপারের মানুষ স্বস্তি নিয়ে ঘুমাতে পেরেছে।

 

স্থানীয় লোকজন বলছেন, গত শনিবারের পর নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম, উখিয়ার পালংখালী ও টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের এপারে গুলি ও মর্টার শেল উড়ে আসেনি। তবে ওপারের সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রচুর গোলাগুলি ও ভারী গোলাবর্ষণের শব্দ শোনা গেছে। কিছু এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে।