৫০ বছর পর আবার চাঁদের পিঠে নামছে মার্কিন মহাকাশযান
- আপডেটঃ ০৪:২১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
- / ১০৪৫ বার পঠিত
অ্যাপোলো মিশনের অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর আবারও চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশযান। হিউস্টন-ভিত্তিক বেসরকারি মহাকাশ সংস্থা ইনটুইটিভ মেশিনের নির্মিত চন্দ্রযান নোভা-সি ল্যান্ডার গতকাল বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডা থেকে চন্দ্রপৃষ্ঠ স্পর্শ করার মিশন শুরু করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু সংগঠিত হলে এদিন প্রতিষ্ঠান ‘ইনটুইটিভ মেশিন’ তার ষড়ভুজ আকৃতির রোবট ‘অডিসিয়াস’কে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে (২২:৩০ জিএমটি) চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের পথ নির্দেশনা দেবে। এর আগে বুধবারই এ মহাকাশযানটি চাঁদের কাছাকাছি পৌঁছায়। খবর দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, এএফপি।
বাণিজ্যিক মহাকাশযানের মাধ্যমে পরিচালিত এ চন্দ্রাভিযানে অর্থায়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা। চলতি দশকের শেষ দিকে চাঁদে নভোচারী পাঠানোর পথ সুগম করাই এ অভিযানের লক্ষ্য।
অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা আশা করছেন, চাঁদের মাটি স্পর্শ করার ঐতিহাসিক মুহূর্তের প্রায় ১৫ সেকেন্ড পর তারা চন্দ্রাভিযান সফল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইটে অভিযানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে। চন্দ্রপৃষ্ঠের কাছাকাছি গিয়ে রোবট অডিসিয়াস তার ‘ইগলক্যাম’-এর সাহায্যে ল্যান্ডার অবতরণের মুহূর্তের সর্বশেষ কয়েক সেকেন্ডের ছবি তুলবে।
এর আগে গত মাসে একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের চন্দ্রাভিযান ব্যর্থ হয়। এতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর চন্দ্রাভিযান পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। সবশেষ ১৯৭২ সালে নাসা সফলভাবে চাঁদে অ্যাপোলো ১৭ মিশন পরিচালনা করেছিল।
জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির স্পেস পলিসি ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ কাউন্সিলের সাবেক সদস্য স্কট পেস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক অনুপস্থিত থাকার পর তার চন্দ্রাভিযানের সক্ষমতা নতুন করে গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘মাঝেমধ্যেই এমন কথা শোনা যায়, আমরা অতীতে সফল চন্দ্রাভিযান পরিচালনা করেছি তাহলে এখন কেন পারব না?’ এ অভিযান কীভাবে করতে হয়, তা প্রতিটি প্রজন্মকেই শিখতে হবে বলেও জানান স্কট।










