ডিএসইর লেনদেন কমেছে ৫৫ শতাংশ
- আপডেটঃ ০৫:৩১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
- / ৯৮৬ বার পঠিত
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে সূচকের পাশাপাশি লেনদেন কমেছে প্রায় ৫৫ শতাংশ। দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক ও লেনদেন নিম্নমুখী ছিল। স্টক এক্সচেঞ্জের সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
শেয়ারবাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের তুলনায় দশমিক ৯৮ শতাংশ কমে ৬ হাজার ২৭৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৬ হাজার ৩৩৬ পয়েন্টে। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ সপ্তাহের ব্যবধানে দশমিক ৮১ শতাংশ কমে ২ হাজার ১৪০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ২ হাজার ১৫৭ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৬১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১ হাজার ৩৮২ পয়েন্টে। ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া মোট ৪০৯টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১২১টির, কমেছে ২৪৭টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৩০টির। এছাড়া লেনদেন হয়নি ১১টির।
ডিএসইতে গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে ৩ হাজার ৩৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৭ হাজার ৪৪০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক্সচেঞ্জটিতে সাপ্তাহিক লেনদেন কমেছে ৫৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড়ে ৮৪২ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১ হাজার ৪৮৮ কোটি ৭ লাখ টাকা।গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬২ হাজার ১৪ কোটি টাকা, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে দশমিক ৫৮ শতাংশ।
খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ওষুধ খাত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৩ শতাংশ দখলে নিয়েছে প্রকৌশল খাত। ৯ দশমিক ৫ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বস্ত্র খাত। মোট লেনদেনের ৯ শতাংশের ভিত্তিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল ব্যাংক খাত। আর খাদ্য খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ।
আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে চারটি বাদে সব খাতের শেয়ারে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। ইতিবাচক রিটার্নের দিক থেকে শীর্ষে ছিল পাট, বস্ত্র, সিরামিক ও সাধারণ বীমা খাত। এ চার খাতে যথাক্রমে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ, ২ দশমিক ৭, দশমিক ৯ ও দশমিক ৬ শতাংশ রিটার্ন এসেছে। অন্যদিকে নেতিবাচক রিটার্নে শীর্ষে ছিল ভ্রমণ, তথ্যপ্রযুক্তি, চামড়া ও কাগজ খাত। খাতগুলোয় যথাক্রমে ৫ দশমিক ১ শতাংশ, ৪ দশমিক ৩, ৩ দশমিক ৫ ও ৩ দশমিক ৫ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে।
অন্যদিকে গত সপ্তাহে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ কমে ১৮ হাজার ৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৮ হাজার ২৯১ পয়েন্টে। সিএসসিএক্স সূচকটি গত সপ্তাহ শেষে ১ দশমিক ৫২ শতাংশ কমে ১০ হাজার ৭৮৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১০ হাজার ৯৫০ পয়েন্টে।
সিএসইতে গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে ৭৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, আগের সপ্তাহে হয়েছিল ১৫৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এ সময়ে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৩৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৯৫টির, কমেছে ২১৪টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টির।










