ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেয়ার পরিকল্পনা সরকারি কলেজ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ১২:৫৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৯৮০ বার পঠিত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সরকারি কলেজগুলোকে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বা তদারকিতে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ঢাকার বড় সাতটি সরকারি কলেজ যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলছে, তেমনি অন্যান্য সরকারি কলেজও বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তদারকিতে চলবে।

 

দেশের ৩০ লাখ শিক্ষার্থীর ভার বয়ে চলছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ২২৫৭টি কলেজ পরিচালনার বিশাল কর্মযজ্ঞের দায়িত্বে থাকা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ সরকারি কলেজের শিক্ষার মান নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা রাজধানীর ৭টি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা পর এবার মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে দেশের সব সরকারি কলেজকে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার কথা ভাবছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

 

সম্প্রতি জেলা পর্যায়ের নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের স্নাতক কোর্সের পরিবর্তে শুধু স্নাতকোত্তর কোর্স পরিচালনা এবং স্থানীয় সরকারি কলেজগুলোর তত্ত্বাবধানের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।প্রয়োজনীয় জনবল পেলে স্থানীয় সরকারি কলেজ মনিটরিংয়ের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন দায়িত্বে থাকা উপাচার্য অধ্যাপক দরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, আমাদের শিক্ষকরা বিশ্বমানের। তাদের কাজ, গবেষণা ও পাঠদান দক্ষতার আলোকে মনে করি, নতুন করে চ্যালেঞ্জ নেয়ার সক্ষমতা তাদের আছে। এতে কলেজগুলোর উপকৃত হবে।তবে সিনিয়র অধ্যাপক না থাকাসহ জনবল সংকট ও সীমাবদ্ধতায় থাকা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বড় বড় সরকারি কলেজ মনিটরিংয়ে কতটুকু সক্ষম হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে খোদ শিক্ষাবিদদের।

 

অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল বলেন, স্থানীয় কলেজগুলোকে যদি নতুন গড়ে ওঠা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেয়া হয়, এক্ষেত্রে প্রশ্ন ওঠে এর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তৈরি নাকি কলেজগুলো তৈরি?

 

এদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, সরকারি কলেজগুলোকে অঞ্চলভিত্তিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ন্যস্ত করা হলে জাতীয় বিশ্বদ্যিালয়কে শিক্ষাদানকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করতে হবে।

 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মশিউর রহমান বলেন, বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার, আমরা ৩৫ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে এগোবো, নাকি সংখ্যা কমিয়ে চিন্তা করব। নাকি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা, গবেষণা ও পাঠদানের কাজ করবে।এছাড়া স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পাঠদানকারী বেসরকারি কলেজগুলোকে নিয়ে নতুন পরিকল্পনার গ্রহণের আহ্বানও জানান তিনি।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেয়ার পরিকল্পনা সরকারি কলেজ

আপডেটঃ ১২:৫৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সরকারি কলেজগুলোকে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বা তদারকিতে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ঢাকার বড় সাতটি সরকারি কলেজ যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলছে, তেমনি অন্যান্য সরকারি কলেজও বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তদারকিতে চলবে।

 

দেশের ৩০ লাখ শিক্ষার্থীর ভার বয়ে চলছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ২২৫৭টি কলেজ পরিচালনার বিশাল কর্মযজ্ঞের দায়িত্বে থাকা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ সরকারি কলেজের শিক্ষার মান নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা রাজধানীর ৭টি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা পর এবার মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে দেশের সব সরকারি কলেজকে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার কথা ভাবছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

 

সম্প্রতি জেলা পর্যায়ের নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের স্নাতক কোর্সের পরিবর্তে শুধু স্নাতকোত্তর কোর্স পরিচালনা এবং স্থানীয় সরকারি কলেজগুলোর তত্ত্বাবধানের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।প্রয়োজনীয় জনবল পেলে স্থানীয় সরকারি কলেজ মনিটরিংয়ের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন দায়িত্বে থাকা উপাচার্য অধ্যাপক দরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, আমাদের শিক্ষকরা বিশ্বমানের। তাদের কাজ, গবেষণা ও পাঠদান দক্ষতার আলোকে মনে করি, নতুন করে চ্যালেঞ্জ নেয়ার সক্ষমতা তাদের আছে। এতে কলেজগুলোর উপকৃত হবে।তবে সিনিয়র অধ্যাপক না থাকাসহ জনবল সংকট ও সীমাবদ্ধতায় থাকা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বড় বড় সরকারি কলেজ মনিটরিংয়ে কতটুকু সক্ষম হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে খোদ শিক্ষাবিদদের।

 

অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল বলেন, স্থানীয় কলেজগুলোকে যদি নতুন গড়ে ওঠা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেয়া হয়, এক্ষেত্রে প্রশ্ন ওঠে এর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তৈরি নাকি কলেজগুলো তৈরি?

 

এদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, সরকারি কলেজগুলোকে অঞ্চলভিত্তিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ন্যস্ত করা হলে জাতীয় বিশ্বদ্যিালয়কে শিক্ষাদানকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করতে হবে।

 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মশিউর রহমান বলেন, বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার, আমরা ৩৫ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে এগোবো, নাকি সংখ্যা কমিয়ে চিন্তা করব। নাকি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা, গবেষণা ও পাঠদানের কাজ করবে।এছাড়া স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পাঠদানকারী বেসরকারি কলেজগুলোকে নিয়ে নতুন পরিকল্পনার গ্রহণের আহ্বানও জানান তিনি।