ঢাকা , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতা এনে দিয়েছে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০১:৫২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪
  • / ৯১৯ বার পঠিত

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ শুধু গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতিই দেয়নি, স্বাধীনতাও এনে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

আজ বৃহস্পতিবার (০৭ মার্চ) ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

একাত্তরের ঐতিহাসিক এ দিনে ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার রূপরেখা ঘোষণা করেন। তাঁর দরাজ কণ্ঠে গর্জে ওঠা কয়েকটি শব্দ ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ এর মাধ্যমেই মূলত মুক্তিকামী বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।

 

১৯৬৯ সালে লন্ডন থেকেই পূর্ব বাংলায় গেরিলা যুদ্ধের পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি (বঙ্গবন্ধু) বুঝতে পেরেছিলেন পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কখনওই ক্ষমতা ছাড়বে না। ওই বৈঠকে ভারতের দু’জন প্রতিনিধিও ছিলেন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন ওই ঘটনায় একমাত্র জীবিত সাক্ষী তিনি।

 

এ সময় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুনে পাকিস্তানি সেনারা তাদের বইতে লিখেছেন, তারা স্থম্ভিত হয়ে গিয়েছিল, কী করবে বুঝতে পারেনি সেদিন।

 

বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে একটি গোষ্ঠী চেয়েছিল এদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে। তারা ৭ই মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করে এবং ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানও নিষিদ্ধ করে।

 

তারা ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নাম মুছে দিতে চেয়েছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না। তারই প্রমাণ জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর এ ভাষণকে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি। শুধু তাই নয়, ইউনেস্কো মনে করে এ ভাষণটির মাধ্যমে জাতির পিতাই প্রকারান্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

স্বাধীনতা এনে দিয়েছে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটঃ ০১:৫২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ শুধু গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতিই দেয়নি, স্বাধীনতাও এনে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

আজ বৃহস্পতিবার (০৭ মার্চ) ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

একাত্তরের ঐতিহাসিক এ দিনে ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার রূপরেখা ঘোষণা করেন। তাঁর দরাজ কণ্ঠে গর্জে ওঠা কয়েকটি শব্দ ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ এর মাধ্যমেই মূলত মুক্তিকামী বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।

 

১৯৬৯ সালে লন্ডন থেকেই পূর্ব বাংলায় গেরিলা যুদ্ধের পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি (বঙ্গবন্ধু) বুঝতে পেরেছিলেন পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কখনওই ক্ষমতা ছাড়বে না। ওই বৈঠকে ভারতের দু’জন প্রতিনিধিও ছিলেন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন ওই ঘটনায় একমাত্র জীবিত সাক্ষী তিনি।

 

এ সময় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুনে পাকিস্তানি সেনারা তাদের বইতে লিখেছেন, তারা স্থম্ভিত হয়ে গিয়েছিল, কী করবে বুঝতে পারেনি সেদিন।

 

বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে একটি গোষ্ঠী চেয়েছিল এদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে। তারা ৭ই মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করে এবং ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানও নিষিদ্ধ করে।

 

তারা ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নাম মুছে দিতে চেয়েছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না। তারই প্রমাণ জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর এ ভাষণকে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি। শুধু তাই নয়, ইউনেস্কো মনে করে এ ভাষণটির মাধ্যমে জাতির পিতাই প্রকারান্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।