ঢাকা , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে নতুন ইউনিট স্থাপন করবে নাভানা ফার্মা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৫:২০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪
  • / ৯১৯ বার পঠিত

জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনের নতুন ইউনিট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

তথ্য অনুসারে, জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনের নতুন ইউনিট নির্মাণে প্রাথমিক বিনিয়োগ ধরা হয়েছে ১৪৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা। ইউনিটটির মোট আয়তন প্রায় ২০ হাজার ঘনফুট, যেখানে একটি প্রডাকশন ফ্লোর থাকবে। ফলে কোম্পানিটির বিদ্যমান বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা বাড়বে প্রায় ১০০ কোটি ইউনিট।

 

ইউনিটটি ব্যয়ের একটি অংশ কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) এসভিপিও সুবিধা আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের জন্য সংগৃহীত তহবিলের অব্যবহৃত অর্থ থেকে ব্যয় করবে। এরই মধ্যে কোম্পানিটি আইপিওর মোট ৭৫ কোটি টাকার ৭১ দশমিক ৩১ শতাংশ ব্যয় করেছে। বাকি ১৩ কোটি ১২ লাখ টাকা নতুন উৎপাদন ইউনিট নির্মাণে ব্যবহার করবে। এ বিষয়ে অনুমোদনের জন্য আগামী ২ মে কোম্পানিটির বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে। ইজিএমের সময় ও স্থান কোম্পানিটির পক্ষ থেকে পরে জানানো হবে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২ এপ্রিল।

 

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা।

গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৩৩ পয়সায়।সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৩ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫৯ পয়সা।

 

২০২২ সালের ১৮ অক্টোবর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১০৭ কোটি ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৮০ কোটি ১৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৭৪ লাখ ১৬ হাজার ২১৭। এর মধ্যে ৩৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১০ দশমিক ২৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ২৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ বিদেশী ও বাকি ২৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে নতুন ইউনিট স্থাপন করবে নাভানা ফার্মা

আপডেটঃ ০৫:২০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪

জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনের নতুন ইউনিট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

তথ্য অনুসারে, জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনের নতুন ইউনিট নির্মাণে প্রাথমিক বিনিয়োগ ধরা হয়েছে ১৪৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা। ইউনিটটির মোট আয়তন প্রায় ২০ হাজার ঘনফুট, যেখানে একটি প্রডাকশন ফ্লোর থাকবে। ফলে কোম্পানিটির বিদ্যমান বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা বাড়বে প্রায় ১০০ কোটি ইউনিট।

 

ইউনিটটি ব্যয়ের একটি অংশ কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) এসভিপিও সুবিধা আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের জন্য সংগৃহীত তহবিলের অব্যবহৃত অর্থ থেকে ব্যয় করবে। এরই মধ্যে কোম্পানিটি আইপিওর মোট ৭৫ কোটি টাকার ৭১ দশমিক ৩১ শতাংশ ব্যয় করেছে। বাকি ১৩ কোটি ১২ লাখ টাকা নতুন উৎপাদন ইউনিট নির্মাণে ব্যবহার করবে। এ বিষয়ে অনুমোদনের জন্য আগামী ২ মে কোম্পানিটির বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে। ইজিএমের সময় ও স্থান কোম্পানিটির পক্ষ থেকে পরে জানানো হবে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২ এপ্রিল।

 

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা।

গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৩৩ পয়সায়।সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৩ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫৯ পয়সা।

 

২০২২ সালের ১৮ অক্টোবর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১০৭ কোটি ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৮০ কোটি ১৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৭৪ লাখ ১৬ হাজার ২১৭। এর মধ্যে ৩৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১০ দশমিক ২৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ২৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ বিদেশী ও বাকি ২৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।