চিফ হুইপ চুন্নুকে পাল্টা জবাব ব্যারিস্টার সুমনের
- আপডেটঃ ০৫:৪১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মে ২০২৪
- / ৮৯৫ বার পঠিত
সরকারি বরাদ্দ এবং আয় ব্যায়ের হিসাব ফেসবুকে দিয়েই যাবেন বলে জানিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু সংসদে সুমনের বিচার চাওয়ার পর বুধবার (৮ মে) আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
ব্যারিস্টার সুমন আরও বলেন, সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ চুন্নু স্পিকারের কাছে বিচার দিয়েছেন। যেহেতু পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি কথা বলেছেন, সেহেতু আমি উত্তর দেয়ার সুযোগ পাইনি। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, তিনি বিরোধিতা করবেন সরকারি দলের, কিন্তু তিনি বিরোধিতা করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীর। কী বিষয়ে করছেন? তার তো আরও খুশি হওয়ার কথা যে, আমরা আমাদের হিসাব দেয়া শুরু করেছি।
আমার দুঃখ হচ্ছে, তার এলাকার মানুষের জন্য, যাদের কাছ থেকে তিনি এমপি হয়ে সংসদে এসেছেন। ওই এলাকার মানুষের অধিকার নেই তাদের এমপি কত টাকা বরাদ্দ পান, সেটা জানার। তার বক্তব্য ছিল, আমি যেন কোনোভাবেই ফেসবুকে না জানাই, কে কত টাকা বরাদ্দ পায়।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু জাতীয় সংসদে বলেন, ‘আমাদের একজন সংসদ সদস্য, নামটা বলতে চাই না। তিনি নতুন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ফেসবুকে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে আমরা সবাই ভুক্তভোগী।’
চুন্নু বলেন, ‘ওই এমপি (ব্যারিস্টার সুমন) বলেছেন, এমপিরা কত টাকা বেতন পান? তারা তো বলেন না, গোপন করেন। তিনি বলেছেন, এক লাখ ৭২ হাজার টাকা বেতন (মাসিক) পেয়েছেন। আমরা কত টাকা বেতন পাই, এটা তো লুকানোর কিছু নেই, সংসদের ওয়েবসাইটে গেলে পাওয়া যাবে। এরপর তিনি আরও বলেছেন, তিন মাসের মধ্যে ২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছি। সেটা কীভাবে পেলেন? তিন কোটি টাকা গমের জন্য, আর বাকি ২৫ কোটি টাকা পেয়েছেন রাস্তার জন্য।’
স্পিকারকে উদ্দেশ করে চুন্নু আরও বলেন, আপনি এ সংসদের অভিভাবক। আমাদের কোনো সদস্য যদি এমন কোনো কথা বলেন যে, তার কথায় প্রধানমন্ত্রী, স্পিকারসহ ৩৪৯ জন এমপি (সায়েদুল হক সুমন ছাড়া) সম্পর্কে ভুল বার্তা যাবে। তার সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জন করবার জন্য যদি এ ধরনের কথায় ভুল বার্তা যায়, বিষয়টা আপনি দেখতে পারেন। আমরা এখানে অনেক কথা বলব, বিতর্ক করব। এমন কথা বলবার অধিকার নেই, যাতে ৩৪৯ এমপির ইজ্জত যাবে। তাদের সম্পর্কে মানুষের কাছে ভুল বার্তা যাবে। তাই অভিভাবক হিসেবে ওই সংসদ সদস্যকে ডেকে তাকে কী করবেন, ব্যবস্থা নেবেন এটা আমার অনুরোধ।










