ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০১:২৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪
  • / ৯২৮ বার পঠিত

আজ ১৬ মে, ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ফারাক্কা ব্যারাজ অভিমুখে লংমার্চ করে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাড়া ফেলে দেন মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। লংমার্চ শেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট হাইস্কুল মাঠে সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি। সেই থেকে ১৬ মে ফারাক্কা দিবস পালিত হয়ে আসছে।

 

এই দিনে ভারত নির্মিত ফারাক্কা বাঁধের প্রতিবাদ এবং পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এমন প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে ১২ ডিসেম্বর ভারতের গঙ্গা নদীর পানি ভাগাভাগির নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি হয়।

 

চুক্তির ২৮ বছরে জলবায়ুর পরিবর্তন হয়েছে, চাহিদা বেড়েছে পানির। এর পরও ন্যায্য হিস্যা না পাওয়ায় দাবি উঠেছে চুক্তি পুনর্বিবেচনার। গতকাল বুধবার পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশীতে নদী গবেষক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, নদীকে নদীর মতো করে বাঁচতে না দিলে প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস হয়ে যাবে। এ থেকে রক্ষা পেতে হলে গঙ্গার পানি চুক্তি পুনর্বিবেচনা করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

 

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশকে প্রতিবছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ৩৫ হাজার কিউসেক পানি দেবে ভারত। কিন্তু গতকাল পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ২৯ হাজার ১৬৯ কিউসেক। আগের দিন ছিল ২৬ হাজার ৬৫৬ কিউসেক।

 

পাবনা হাইড্রোলজি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রইচ উদ্দিন জানান, ভারতের নদী কমিশনের প্রতিনিধিরা পদ্মার পানির প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করছেন।

 

পরিবেশবিদ অধ্যাপক শাহনেওয়াজ সালাম বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য বাঁচাতে গঙ্গার পানি চুক্তি পুনর্বিবেচনা হওয়া দরকার।

 

উত্তরাঞ্চলীয় পানি পরিমাপ বিভাগ ও পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ‘চুক্তির চেয়ে আমরা কম পানি পাচ্ছি।’

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস

আপডেটঃ ০১:২৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

আজ ১৬ মে, ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ফারাক্কা ব্যারাজ অভিমুখে লংমার্চ করে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাড়া ফেলে দেন মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। লংমার্চ শেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট হাইস্কুল মাঠে সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি। সেই থেকে ১৬ মে ফারাক্কা দিবস পালিত হয়ে আসছে।

 

এই দিনে ভারত নির্মিত ফারাক্কা বাঁধের প্রতিবাদ এবং পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এমন প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে ১২ ডিসেম্বর ভারতের গঙ্গা নদীর পানি ভাগাভাগির নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি হয়।

 

চুক্তির ২৮ বছরে জলবায়ুর পরিবর্তন হয়েছে, চাহিদা বেড়েছে পানির। এর পরও ন্যায্য হিস্যা না পাওয়ায় দাবি উঠেছে চুক্তি পুনর্বিবেচনার। গতকাল বুধবার পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশীতে নদী গবেষক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, নদীকে নদীর মতো করে বাঁচতে না দিলে প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস হয়ে যাবে। এ থেকে রক্ষা পেতে হলে গঙ্গার পানি চুক্তি পুনর্বিবেচনা করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

 

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশকে প্রতিবছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ৩৫ হাজার কিউসেক পানি দেবে ভারত। কিন্তু গতকাল পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ২৯ হাজার ১৬৯ কিউসেক। আগের দিন ছিল ২৬ হাজার ৬৫৬ কিউসেক।

 

পাবনা হাইড্রোলজি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রইচ উদ্দিন জানান, ভারতের নদী কমিশনের প্রতিনিধিরা পদ্মার পানির প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করছেন।

 

পরিবেশবিদ অধ্যাপক শাহনেওয়াজ সালাম বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য বাঁচাতে গঙ্গার পানি চুক্তি পুনর্বিবেচনা হওয়া দরকার।

 

উত্তরাঞ্চলীয় পানি পরিমাপ বিভাগ ও পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ‘চুক্তির চেয়ে আমরা কম পানি পাচ্ছি।’