ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিএসইর পরিচালক মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৪:১২:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪
  • / ৮৭২ বার পঠিত

পদে থেকে বেআইনি এবং অনৈতিকভাবে শেয়ার লেনদেনের অভিযোগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রভাবশালী স্বতন্ত্র পরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। একইসাথে তদন্তকালীন সময় তাকে ডিএসইর পরিচালকের দায়িত্ব পালন না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

 

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব ফরিদা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত এই সংক্রান্ত একটি চিঠি মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো হয়েছে।

 

‘ডিএসইর পরিচালকই শেয়ার কারসাজিতে, রক্ষকই যখন ভক্ষক’ শিরোনামে একটি দৈনিক পত্রিকার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ কারসাজির মাধ্যমে তিনটি বিও অ্যাকাউন্টে ১৩ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করেছেন। এ কাজের মাধ্যমে তিনি তিনটি অপরাধ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।

 

প্রথমত, তিনি স্টক এক্সচেঞ্জের পর্ষদে থেকে বেআইনি ও অনৈতিকভাবে শেয়ার লেনদেন করে সুবিধা নিয়েছেন, দ্বিতীয়ত কারসাজির কারণে যেসব কোম্পানিকে শাস্তি দেয়া হয়েছে, এর অধিকাংশের শেয়ার লেনদেন করে সুবিধা নিয়েছেন, তৃতীয়ত, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সহায়তায় পর্ষদ ভেঙে যেসব কোম্পানি দখল করা হয়েছে। এর সবকটি থেকেই তিনি আগাম তথ্য জেনে শেয়ার লেনদেন করে লাভবান হয়েছেন।

 

চিঠিতে অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ এর ২১ ধারামতে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণসহ আরো কিছু ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

 

এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এই স্বতন্ত্র পরিচালক ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (বোর্ড এডমিনিস্ট্রেশন) রেজুলেশন ২০২৩ এর ধারা ৮ (২) (এ), ৮(২)(বি), ৮(২)(ডি), ৮(৩)(১)-সহ বিএসইসি এবং ডিএসই এ কর্তৃক অনুসৃত অন্যান্য আইন, বিধি, প্রবিধি অথবা নির্দেশনা পরিপন্থি কোনো কার্য করছেন কি না তা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃক তদন্ত সম্পন্ন করে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ, তদন্তের স্বার্থে তদন্ত চলাকালীন সময়ে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে স্বীয় কার্য থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা প্রদান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তদন্ত প্রতিবেদন মোতাবেক বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অনতিবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে অবহিত করতে হবে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

ডিএসইর পরিচালক মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

আপডেটঃ ০৪:১২:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪

পদে থেকে বেআইনি এবং অনৈতিকভাবে শেয়ার লেনদেনের অভিযোগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রভাবশালী স্বতন্ত্র পরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। একইসাথে তদন্তকালীন সময় তাকে ডিএসইর পরিচালকের দায়িত্ব পালন না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

 

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব ফরিদা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত এই সংক্রান্ত একটি চিঠি মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো হয়েছে।

 

‘ডিএসইর পরিচালকই শেয়ার কারসাজিতে, রক্ষকই যখন ভক্ষক’ শিরোনামে একটি দৈনিক পত্রিকার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ কারসাজির মাধ্যমে তিনটি বিও অ্যাকাউন্টে ১৩ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করেছেন। এ কাজের মাধ্যমে তিনি তিনটি অপরাধ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।

 

প্রথমত, তিনি স্টক এক্সচেঞ্জের পর্ষদে থেকে বেআইনি ও অনৈতিকভাবে শেয়ার লেনদেন করে সুবিধা নিয়েছেন, দ্বিতীয়ত কারসাজির কারণে যেসব কোম্পানিকে শাস্তি দেয়া হয়েছে, এর অধিকাংশের শেয়ার লেনদেন করে সুবিধা নিয়েছেন, তৃতীয়ত, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সহায়তায় পর্ষদ ভেঙে যেসব কোম্পানি দখল করা হয়েছে। এর সবকটি থেকেই তিনি আগাম তথ্য জেনে শেয়ার লেনদেন করে লাভবান হয়েছেন।

 

চিঠিতে অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ এর ২১ ধারামতে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণসহ আরো কিছু ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

 

এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এই স্বতন্ত্র পরিচালক ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (বোর্ড এডমিনিস্ট্রেশন) রেজুলেশন ২০২৩ এর ধারা ৮ (২) (এ), ৮(২)(বি), ৮(২)(ডি), ৮(৩)(১)-সহ বিএসইসি এবং ডিএসই এ কর্তৃক অনুসৃত অন্যান্য আইন, বিধি, প্রবিধি অথবা নির্দেশনা পরিপন্থি কোনো কার্য করছেন কি না তা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃক তদন্ত সম্পন্ন করে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ, তদন্তের স্বার্থে তদন্ত চলাকালীন সময়ে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে স্বীয় কার্য থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা প্রদান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তদন্ত প্রতিবেদন মোতাবেক বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অনতিবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে অবহিত করতে হবে।