ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোটা আন্দোলন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০১:১৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুলাই ২০২৪
  • / ৮৮৮ বার পঠিত

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে মহাসড়কে।

 

আজ শনিবার (০৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টাঙ্গাইল শহরের বাইপাসনগর জলপাই এলাকায় অবস্থান করে বিক্ষোভ করছেন তারা।

 

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা কখনোই সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় আন্দোলন করতে চাই না, আমরা পড়াশোনা করতে চাই। কিন্তু আমাদের কিছু করার নাই। কারণ যে পরিমাণ কোটা, তাতে মেধাবীরা দেশে চাকরি না পেয়ে বাইরে চলে যাবেন। দেশে সরকারি চাকরি করার আগ্রহও হারাবেন।’

 

এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মহাসড়কে আসে। এসময় তারা ‌‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে, আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ এই স্লোগানের মাধ্যমে আন্দোলনকে মুখরিত করে তোলে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

কোটা আন্দোলন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

আপডেটঃ ০১:১৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুলাই ২০২৪

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে মহাসড়কে।

 

আজ শনিবার (০৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টাঙ্গাইল শহরের বাইপাসনগর জলপাই এলাকায় অবস্থান করে বিক্ষোভ করছেন তারা।

 

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা কখনোই সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় আন্দোলন করতে চাই না, আমরা পড়াশোনা করতে চাই। কিন্তু আমাদের কিছু করার নাই। কারণ যে পরিমাণ কোটা, তাতে মেধাবীরা দেশে চাকরি না পেয়ে বাইরে চলে যাবেন। দেশে সরকারি চাকরি করার আগ্রহও হারাবেন।’

 

এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মহাসড়কে আসে। এসময় তারা ‌‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে, আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ এই স্লোগানের মাধ্যমে আন্দোলনকে মুখরিত করে তোলে।