ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিবি কার্যালয়ে আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ১২:১৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪
  • / ৮২৯ বার পঠিত

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার রাতে তাদের ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ডিএমপির ডিবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

আজ বুধবার (১৪ আগস্ট) সকালে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

এর আগে, নিউমার্কেট থানার মামলায় গতকাল মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর সদরঘাট থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক পালানোর চেষ্টা করছেন- গোয়েন্দা সূত্রে এমন খবরে রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশের একটি দল। নিরাপদ রুট মনে করে এ দুই নেতা নৌপথে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন, তখন সেখান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি চলাকালে গত ১৬ জুলাই ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে দু’জন নিহত হন। এরমধ্যে একজন ছাত্র ও একজন হকার। এ ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় দুটি হত্যা মামলা হয়েছে। এসব হত্যার ঘটনায় ইন্ধনদাতা হিসেবে এই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

আইনজীবী আনিসুল হক ২০১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (আখাউড়া ও কসবা) থেকে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে ওইবারই তাকে আইনমন্ত্রী করা হয়। এরপর থেকে তিনি আইনমন্ত্রীর পদে ছিলেন।

 

অন্যদিকে সালমান এফ রহমান এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।

 

২০১৮ সালের নির্বাচনে সালমান এফ রহমান ঢাকা-১ আসন থেকে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তাকে নিজের বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। এরপরই সরকারের অনেক মন্ত্রী-এমপি ও প্রভাবশালী নেতারা গা ঢাকা দেন। তাদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে দেশ ছেড়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

ডিবি কার্যালয়ে আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান

আপডেটঃ ১২:১৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার রাতে তাদের ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ডিএমপির ডিবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

আজ বুধবার (১৪ আগস্ট) সকালে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

এর আগে, নিউমার্কেট থানার মামলায় গতকাল মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর সদরঘাট থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক পালানোর চেষ্টা করছেন- গোয়েন্দা সূত্রে এমন খবরে রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশের একটি দল। নিরাপদ রুট মনে করে এ দুই নেতা নৌপথে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন, তখন সেখান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি চলাকালে গত ১৬ জুলাই ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে দু’জন নিহত হন। এরমধ্যে একজন ছাত্র ও একজন হকার। এ ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় দুটি হত্যা মামলা হয়েছে। এসব হত্যার ঘটনায় ইন্ধনদাতা হিসেবে এই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

আইনজীবী আনিসুল হক ২০১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (আখাউড়া ও কসবা) থেকে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে ওইবারই তাকে আইনমন্ত্রী করা হয়। এরপর থেকে তিনি আইনমন্ত্রীর পদে ছিলেন।

 

অন্যদিকে সালমান এফ রহমান এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।

 

২০১৮ সালের নির্বাচনে সালমান এফ রহমান ঢাকা-১ আসন থেকে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তাকে নিজের বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। এরপরই সরকারের অনেক মন্ত্রী-এমপি ও প্রভাবশালী নেতারা গা ঢাকা দেন। তাদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে দেশ ছেড়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।