ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতাচ্যুত

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৬:১০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪
  • / ৮৮৯ বার পঠিত

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে তার দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার সদস্য নিয়োগে সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে বুধবার (১৪ আগস্ট) তাকে অপসারণ করেছেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত।

 

গণমাধ্যমটি এক প্রতিবেদনে বলছে, গত সপ্তাহে একই আদালত দেশটির জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল প্রোগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড পার্টিকে নিষিদ্ধ করেছে। দলটি গেল সংসদ নির্বাচনেও সবচেয়ে বেশি আসনে জয় পেয়েছিল। আদালতের ওই রায়ে দলটির নেতাদের রাজনীতি থেকে ১০ বছর নিষিদ্ধও করা হয়।

 

বুধবার ব্যাংককের আদালত তার রায়ে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন একজন কারাভোগ করা আইনজীবীকে সরকারের দায়িত্বে নিয়োগ করে নৈতিকতা ভঙ্গ করেছেন। আদালতের নয় বিচারকের পাঁচজনই স্রেথা থাভিসিনকে সরিয়ে দেয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন। তারা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জেনেশুনে একজন নীতি নৈতিকতাহীন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছিলেন।

 

আইন অনুযায়ী দেশটিতে নতুন সরকার গঠন করতে হবে। ক্ষমতাসীন ফিউ থাইয়ের নেতৃত্বাধীন জোট প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নতুন প্রার্থী দেবে বলে জানা যাচ্ছে। ওই প্রার্থী সংসদের ৫০০ সদস্যদের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন।

 

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন স্রেথা থাভিসিন। তখন ফিউ থাই পার্টিকে সেনাবাহিনীর মনোনিত প্রার্থীদের সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করতে হয়েছিল। স্রেথার বিরুদ্ধে যে অভিযোগে আদালত বুধবার এই রায় দিলো, আদালতে সেই অভিযোগটি করেছিলেন সেনাবাহিনীর নিয়োগকৃত ৪০ জন সিনেটর।

 

পিচিট চুয়েনবান নামের যে আইনজীবীকে সরকারে নিয়োগ দিয়েছিল, তিনি ২০০৮ সালে জমি সংক্রান্ত একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তাদের ঘুষ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এরপর তাকে ৬ মাসের কারাদণ্ডও দেয়া হয়।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতাচ্যুত

আপডেটঃ ০৬:১০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে তার দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার সদস্য নিয়োগে সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে বুধবার (১৪ আগস্ট) তাকে অপসারণ করেছেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত।

 

গণমাধ্যমটি এক প্রতিবেদনে বলছে, গত সপ্তাহে একই আদালত দেশটির জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল প্রোগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড পার্টিকে নিষিদ্ধ করেছে। দলটি গেল সংসদ নির্বাচনেও সবচেয়ে বেশি আসনে জয় পেয়েছিল। আদালতের ওই রায়ে দলটির নেতাদের রাজনীতি থেকে ১০ বছর নিষিদ্ধও করা হয়।

 

বুধবার ব্যাংককের আদালত তার রায়ে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন একজন কারাভোগ করা আইনজীবীকে সরকারের দায়িত্বে নিয়োগ করে নৈতিকতা ভঙ্গ করেছেন। আদালতের নয় বিচারকের পাঁচজনই স্রেথা থাভিসিনকে সরিয়ে দেয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন। তারা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জেনেশুনে একজন নীতি নৈতিকতাহীন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছিলেন।

 

আইন অনুযায়ী দেশটিতে নতুন সরকার গঠন করতে হবে। ক্ষমতাসীন ফিউ থাইয়ের নেতৃত্বাধীন জোট প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নতুন প্রার্থী দেবে বলে জানা যাচ্ছে। ওই প্রার্থী সংসদের ৫০০ সদস্যদের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন।

 

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন স্রেথা থাভিসিন। তখন ফিউ থাই পার্টিকে সেনাবাহিনীর মনোনিত প্রার্থীদের সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করতে হয়েছিল। স্রেথার বিরুদ্ধে যে অভিযোগে আদালত বুধবার এই রায় দিলো, আদালতে সেই অভিযোগটি করেছিলেন সেনাবাহিনীর নিয়োগকৃত ৪০ জন সিনেটর।

 

পিচিট চুয়েনবান নামের যে আইনজীবীকে সরকারে নিয়োগ দিয়েছিল, তিনি ২০০৮ সালে জমি সংক্রান্ত একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তাদের ঘুষ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এরপর তাকে ৬ মাসের কারাদণ্ডও দেয়া হয়।