তিস্তায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত, বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই
- আপডেটঃ ১২:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
- / ৯৪৯ বার পঠিত
উজানের ঢল ও টানা দুদিনের বৃষ্টিতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। ফলে তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানির চাপ কমাতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আজ শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ মিটার (স্বাভাবিক ৫২.১৫ মিটার)। যা বিপৎসীমার ১৫ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
অতিবর্ষণ ও ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। ফলে ব্যারেজের সবগুলো গেট খুলে দেয়া হয়েছে।
পানি বৃদ্ধি পেয়ে রংপুরের গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানি বন্দি হয়ে পড়েছে ১০ হাজার পরিবার।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৯টায় তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমা ছুই ছুই করছে। সেখানে বিপদসীমার মাত্র দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি।
ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর বিপদসীমা হচ্ছে ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার সেখানে এখন পানির প্রবাহ রয়েছে ৫২ মিটার। অপরদিকে, কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ২৬ দশমিক সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদ সীমা হচ্ছে ২৯ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার আজ সকাল ৯টায় তা ২৯ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার বেগে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, রংপুরের গঙ্গাচড়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার মাত্র দশমিক ৫ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার দূর্গম চরাঞ্চলের প্লাবিত গ্রামগুলো হচ্ছে- আলবিদতর ইউনিয়নের চর ইছরী, বাগডোগরা, মহিপুরের জয়রাম ওঝা সহ ২০টি গ্রাম।
পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষকে নিরাপদ স্থানে চলে যাবার প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে। তবে উজানে এবং রংপুর অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে অতিবৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হবার আশংকা করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।










