ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজার পর ধ্বংসস্তূপ লেবানন, নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ২ হাজার

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৩:০৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪
  • / ৯৪৯ বার পঠিত

ফিলিস্তিনের গাজায় অব্যাহত হামলার মধ্যেই লেবাননের বৈরুতে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ স্বাস্থ্যকর্মীসহ অনেকে নিহত হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত লেবাননজুড়ে নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১২৭ জন শিশু ও ২৬১ জন নারী রয়েছেন।

 

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, শুক্রবার (০৪ অক্টোবর) বিমান ও হেলিকপ্টার থেকে দফায় দফায় ছোড়া গোলার আঘাতে শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে রাজধানী বৈরুত। এতে হতাহত হন স্বাস্থ্যকর্মীসহ অনেকে। আকাশপথ ছাড়াও লেবাননের ভেতরে ঢুকে অভিযান চালানোর দাবি করেছে নেতানিয়াহু বাহিনী। শুক্রবার এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী।

 

এতে দেশটির সামরিক বাহিনীর সদস্যদের লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে অভিযান চালাতে দেখা যায়। পরে এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়, অভিযান চালিয়ে হিজবুল্লাহর রকেট লঞ্চার ও অ্যান্টি ট্যাংক অস্ত্র উদ্ধার করেছে তারা।পাল্টা জবাব দিয়ে যাচ্ছে হিজবুল্লাহও। শুক্রবার ইসরাইলি ভূখণ্ডে রকেট হামলা চালায় তারা। তবে এতে হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি।

 

গোষ্ঠীটি আরও দাবি করেছে, লেবাননে প্রবেশের সময় মারুন এল রাস নামের একটি গ্রামে ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালিয়েছে তারা। এতে কয়েকজন সেনা হতাহতের দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।ইসরাইলি হামলার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে লেবানন থেকে সিরিয়া যাওয়ার মূল সড়ক। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন লেবানন ছেড়ে যাওয়া সাধারণ মানুষ।

 

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলার কারণে সেপ্টেম্বরের ২৩ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত লেবাননের ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আশ্রয়শিবিরেও জায়গা নেই বিপুল পরিমাণ মানুষকে ঠাঁই দেয়ার।

 

এদিকে লেবাননে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবে বলে জানিয়েছে ইরান। তবে সে চুক্তিতে হিজবুল্লাহর সমর্থন থাকতে হবে। এছাড়া একই সঙ্গে গাজায় যুদ্ধ বন্ধেরও উদ্যোগ নিতে হবে। শুক্রবার ইরানের পররাষ্টমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এসব কথা বলেন।

 

লেবাননে ইসরাইলি হামলার কারণে নিজ নিজ নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ। শুক্রবার বৈরুতের বিমানবন্দর ত্যাগ করে বিদেশি নাগরিকদের বহনকারী বেশ কয়েকটি বিমান। এসব বিমানে ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা ছিলেন বলে জানা গেছে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

গাজার পর ধ্বংসস্তূপ লেবানন, নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ২ হাজার

আপডেটঃ ০৩:০৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪

ফিলিস্তিনের গাজায় অব্যাহত হামলার মধ্যেই লেবাননের বৈরুতে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ স্বাস্থ্যকর্মীসহ অনেকে নিহত হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত লেবাননজুড়ে নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১২৭ জন শিশু ও ২৬১ জন নারী রয়েছেন।

 

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, শুক্রবার (০৪ অক্টোবর) বিমান ও হেলিকপ্টার থেকে দফায় দফায় ছোড়া গোলার আঘাতে শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে রাজধানী বৈরুত। এতে হতাহত হন স্বাস্থ্যকর্মীসহ অনেকে। আকাশপথ ছাড়াও লেবাননের ভেতরে ঢুকে অভিযান চালানোর দাবি করেছে নেতানিয়াহু বাহিনী। শুক্রবার এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী।

 

এতে দেশটির সামরিক বাহিনীর সদস্যদের লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে অভিযান চালাতে দেখা যায়। পরে এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়, অভিযান চালিয়ে হিজবুল্লাহর রকেট লঞ্চার ও অ্যান্টি ট্যাংক অস্ত্র উদ্ধার করেছে তারা।পাল্টা জবাব দিয়ে যাচ্ছে হিজবুল্লাহও। শুক্রবার ইসরাইলি ভূখণ্ডে রকেট হামলা চালায় তারা। তবে এতে হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি।

 

গোষ্ঠীটি আরও দাবি করেছে, লেবাননে প্রবেশের সময় মারুন এল রাস নামের একটি গ্রামে ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালিয়েছে তারা। এতে কয়েকজন সেনা হতাহতের দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।ইসরাইলি হামলার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে লেবানন থেকে সিরিয়া যাওয়ার মূল সড়ক। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন লেবানন ছেড়ে যাওয়া সাধারণ মানুষ।

 

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলার কারণে সেপ্টেম্বরের ২৩ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত লেবাননের ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আশ্রয়শিবিরেও জায়গা নেই বিপুল পরিমাণ মানুষকে ঠাঁই দেয়ার।

 

এদিকে লেবাননে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবে বলে জানিয়েছে ইরান। তবে সে চুক্তিতে হিজবুল্লাহর সমর্থন থাকতে হবে। এছাড়া একই সঙ্গে গাজায় যুদ্ধ বন্ধেরও উদ্যোগ নিতে হবে। শুক্রবার ইরানের পররাষ্টমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এসব কথা বলেন।

 

লেবাননে ইসরাইলি হামলার কারণে নিজ নিজ নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ। শুক্রবার বৈরুতের বিমানবন্দর ত্যাগ করে বিদেশি নাগরিকদের বহনকারী বেশ কয়েকটি বিমান। এসব বিমানে ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা ছিলেন বলে জানা গেছে।