ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাইকোর্ট ঘেরাও করেছেন শিক্ষার্থীরা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ১২:৪০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪
  • / ৯৫৯ বার পঠিত

আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে হাইকোর্ট ঘেরাও করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার (১৬ অক্টোবর) হাইকোর্টের সামনে মিছিল নিয়ে উপস্থিত হন শিক্ষার্থীরা। তবে আগে থেকেই হাইকোর্ট গেটসহ আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

 

আজ বুধবার (১৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাইকোর্ট মাজার গেট এসে পৌঁছান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

 

এদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলমও শিক্ষার্থীদের জড়ো হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তার ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।

 

অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা ‘ঘেরাও ঘেরাও ঘেরাও হবে—হাইকোর্ট ঘেরাও হবে’, ‘দিয়েছি তো রক্ত—আরও দেব রক্ত’, ‘রক্তের বন্যায়—ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘ফ্যাসিবাদের আস্তানা—ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই—খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিচ্ছেন।

 

এর আগে, গতকাল (মঙ্গলবার) সারজিস আলম এবং হাসনাত আব্দুল্লাহ আজ বুধবার সকাল ১১টায় হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন।

 

সারজিস তার পোস্টে লিখেন, ‘আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে আগামীকাল (বুধবার) সকাল ১১টায় হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচি। যে যেখানে আছেন, চলে আসবেন। শকুনদের শেকড় উপড়ে ফেলতে হবে। আগামীকাল আবার দেখা হবে রাজপথে।’

 

একই পোস্টের আরেক কমেন্টে সারজিস লিখেছেন, ‘যেখানে আমার শহীদ ভাই ও বোনদের মা-বাবার কান্না থামেনি, আহত ভাই-বোনদের ক্ষত শুকায়নি, সেখানে শকুনরা জেগে ওঠার সাহস করছে! এদের প্রতিহত করার জন্য আবারও রক্ত দিতে প্রস্তুত।’

 

একই পোস্ট দিয়েছেন আরেক সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি তার দেয়া পোস্টের কমেন্টে লিখেছেন, ‘যে লীগের হাতে হাজার হাজার ছাত্র ও নাগরিকের রক্ত লেগে আছে, দুই মাস না যেতেই তাদের কীভাবে দুঃসাহস হয় হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে খুনি হাসিনার নামে স্লোগান দেয়ার?’

 

এদিকে, মঙ্গলবার প্রকাশ্য এজলাসে আইনজীবীকে চড় মারতে চাওয়া এবং পুলিশে দেয়ার হুমকির ঘটনায় হাইকোর্টের বিচারপতি আতোয়ার রহমান খানের বেঞ্চ ভেঙে নতুন বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

 

এ ঘটনার পর মঙ্গলবারই উচ্চ আদালতের বিতর্কিত বিচারপতিদের অপসারণের দাবিতে প্রধান বিচারপতির কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা করেছেন আইজীবীদের একটি অংশ। বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা সুপ্রিম কোর্ট ভবনের মূল ফটকের সামনে কিছুক্ষণ অবস্থান নেন। আইনজীবী নেতারা বৈঠক করেন প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও। এসব ঘটনার মধ্যেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচির ঘোষণা এলো।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

হাইকোর্ট ঘেরাও করেছেন শিক্ষার্থীরা

আপডেটঃ ১২:৪০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪

আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে হাইকোর্ট ঘেরাও করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার (১৬ অক্টোবর) হাইকোর্টের সামনে মিছিল নিয়ে উপস্থিত হন শিক্ষার্থীরা। তবে আগে থেকেই হাইকোর্ট গেটসহ আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

 

আজ বুধবার (১৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাইকোর্ট মাজার গেট এসে পৌঁছান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

 

এদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলমও শিক্ষার্থীদের জড়ো হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তার ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।

 

অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা ‘ঘেরাও ঘেরাও ঘেরাও হবে—হাইকোর্ট ঘেরাও হবে’, ‘দিয়েছি তো রক্ত—আরও দেব রক্ত’, ‘রক্তের বন্যায়—ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘ফ্যাসিবাদের আস্তানা—ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই—খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিচ্ছেন।

 

এর আগে, গতকাল (মঙ্গলবার) সারজিস আলম এবং হাসনাত আব্দুল্লাহ আজ বুধবার সকাল ১১টায় হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন।

 

সারজিস তার পোস্টে লিখেন, ‘আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে আগামীকাল (বুধবার) সকাল ১১টায় হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচি। যে যেখানে আছেন, চলে আসবেন। শকুনদের শেকড় উপড়ে ফেলতে হবে। আগামীকাল আবার দেখা হবে রাজপথে।’

 

একই পোস্টের আরেক কমেন্টে সারজিস লিখেছেন, ‘যেখানে আমার শহীদ ভাই ও বোনদের মা-বাবার কান্না থামেনি, আহত ভাই-বোনদের ক্ষত শুকায়নি, সেখানে শকুনরা জেগে ওঠার সাহস করছে! এদের প্রতিহত করার জন্য আবারও রক্ত দিতে প্রস্তুত।’

 

একই পোস্ট দিয়েছেন আরেক সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি তার দেয়া পোস্টের কমেন্টে লিখেছেন, ‘যে লীগের হাতে হাজার হাজার ছাত্র ও নাগরিকের রক্ত লেগে আছে, দুই মাস না যেতেই তাদের কীভাবে দুঃসাহস হয় হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে খুনি হাসিনার নামে স্লোগান দেয়ার?’

 

এদিকে, মঙ্গলবার প্রকাশ্য এজলাসে আইনজীবীকে চড় মারতে চাওয়া এবং পুলিশে দেয়ার হুমকির ঘটনায় হাইকোর্টের বিচারপতি আতোয়ার রহমান খানের বেঞ্চ ভেঙে নতুন বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

 

এ ঘটনার পর মঙ্গলবারই উচ্চ আদালতের বিতর্কিত বিচারপতিদের অপসারণের দাবিতে প্রধান বিচারপতির কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা করেছেন আইজীবীদের একটি অংশ। বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা সুপ্রিম কোর্ট ভবনের মূল ফটকের সামনে কিছুক্ষণ অবস্থান নেন। আইনজীবী নেতারা বৈঠক করেন প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও। এসব ঘটনার মধ্যেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচির ঘোষণা এলো।