ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা থেকে গ্রেপ্তার ১৯

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০১:৩৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪
  • / ৮৫৯ বার পঠিত

কক্সবাজার শহরের কলাতলীর একটি আবাসিক হোটেলে ‘গোপন বৈঠকের’ অভিযোগে ১৯ জন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

গতক্সল শুক্রবার (০৮ নভেম্বর) রাত ১২টার দিকে হোটেলটির সম্মেলনকক্ষ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান। তারা সবাই কক্সবাজারের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আওয়ামীপন্থী ইউপি সদস্যরা গোপনে রিসোর্টে বৈঠক করছিলেন। তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ। ওই বৈঠকে ৭০ জন ইউপি সদস্য ছিলেন। অভিযান টের পেয়ে বাকিরা পলিয়ে যান।

 

আটক ব্যক্তিরা জেলার ৯টি উপজেলার ইউপি সদস্যদের নিয়ে গঠিত সংগঠন মেম্বারস অ্যাসোসিয়েশনর আলোচনা সভা করছিলেন। এসময় পুলিশ ও অর্ধ-শতাধিক সমন্বয়ক তাদের হল রুম ঘেরাও করে। এরপর পুলিশ ও সমন্বয়ক পরিচয়ধারীরা এসে তল্লাশি ও যাচাই-বাছাই শুরু করে।

 

পুলিশ বলছে, আওয়ামীপন্থি ইউপি সদস্যরা গোপনে বৈঠক করছে— এ তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। ওই বৈঠকে ৭০ জন ইউপি সদস্য ছিল। বাকিরা অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

 

এদিকে, হোটেল ঘেরাও করায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয় হোটেলটির আশে-পাশের এলাকায়। হোটেল অবস্থান করা পর্যটকদের হোটেল থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান বলেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইউপি সদস্যরা ইউনি রিসোর্টে গোপন বৈঠক করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচলনা করা হয়েছে। এখানে অনেক ইউপি সদস্য আছেন। যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, তাদের আটক করা হবে এবং যাদের বিরুদ্ধে মামলা নেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

 

আটক হওয়া টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য জহির আহমেদ বলেন, ‘আজ জেলার ইউপি সদস্যের নিয়ে গঠিত সংগঠন মেম্বারস অ্যাসোসিয়েশনর আলোচনা সভা ছিল। আমরা প্রায় ৭০ জনের মতো ইউপি সদস্য উপস্থিত ছিলাম। সেখানে দেশের ক্লান্তিকালে কীভাবে কাজ করা যায়। সেটি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। হঠাৎ অতর্কিতভাবে পুলিশ ও সমন্বয়ক ঢুকে আমাদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে আটক করে। আমাদের যদি গোপন বৈঠক থাকতো তাহলে সড়কের পাশে হোটেলে এতবড় অনুষ্ঠান হতো না। আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

কক্সবাজার মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা থেকে গ্রেপ্তার ১৯

আপডেটঃ ০১:৩৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪

কক্সবাজার শহরের কলাতলীর একটি আবাসিক হোটেলে ‘গোপন বৈঠকের’ অভিযোগে ১৯ জন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

গতক্সল শুক্রবার (০৮ নভেম্বর) রাত ১২টার দিকে হোটেলটির সম্মেলনকক্ষ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান। তারা সবাই কক্সবাজারের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আওয়ামীপন্থী ইউপি সদস্যরা গোপনে রিসোর্টে বৈঠক করছিলেন। তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ। ওই বৈঠকে ৭০ জন ইউপি সদস্য ছিলেন। অভিযান টের পেয়ে বাকিরা পলিয়ে যান।

 

আটক ব্যক্তিরা জেলার ৯টি উপজেলার ইউপি সদস্যদের নিয়ে গঠিত সংগঠন মেম্বারস অ্যাসোসিয়েশনর আলোচনা সভা করছিলেন। এসময় পুলিশ ও অর্ধ-শতাধিক সমন্বয়ক তাদের হল রুম ঘেরাও করে। এরপর পুলিশ ও সমন্বয়ক পরিচয়ধারীরা এসে তল্লাশি ও যাচাই-বাছাই শুরু করে।

 

পুলিশ বলছে, আওয়ামীপন্থি ইউপি সদস্যরা গোপনে বৈঠক করছে— এ তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। ওই বৈঠকে ৭০ জন ইউপি সদস্য ছিল। বাকিরা অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

 

এদিকে, হোটেল ঘেরাও করায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয় হোটেলটির আশে-পাশের এলাকায়। হোটেল অবস্থান করা পর্যটকদের হোটেল থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান বলেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইউপি সদস্যরা ইউনি রিসোর্টে গোপন বৈঠক করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচলনা করা হয়েছে। এখানে অনেক ইউপি সদস্য আছেন। যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, তাদের আটক করা হবে এবং যাদের বিরুদ্ধে মামলা নেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

 

আটক হওয়া টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য জহির আহমেদ বলেন, ‘আজ জেলার ইউপি সদস্যের নিয়ে গঠিত সংগঠন মেম্বারস অ্যাসোসিয়েশনর আলোচনা সভা ছিল। আমরা প্রায় ৭০ জনের মতো ইউপি সদস্য উপস্থিত ছিলাম। সেখানে দেশের ক্লান্তিকালে কীভাবে কাজ করা যায়। সেটি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। হঠাৎ অতর্কিতভাবে পুলিশ ও সমন্বয়ক ঢুকে আমাদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে আটক করে। আমাদের যদি গোপন বৈঠক থাকতো তাহলে সড়কের পাশে হোটেলে এতবড় অনুষ্ঠান হতো না। আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে।