লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হাসপাতালের পরিচালকসহ নিহত ৬ চিকিৎসাকর্মী
- আপডেটঃ ০৪:২৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
- / ৯০৪ বার পঠিত
লেবাননের বালবেক-হারমেল প্রদেশের বৃহত্তম হাসপাতাল দার আল-আমাল হাসপাতালের কাছে মারাত্মক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই হাসপাতাল যেটি ইসরাইলের অব্যাহত হামলার মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করে আসছিল। লেবাননে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টার মধ্যে এই হামলা চালালো ইসরাইল।
আজ শনিবার (২৩ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে আহরাম নিউজ।
গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরায়েলি হামলায় নয়জন চিকিৎসাকর্মী আহত হয়েছেন এবং জেনারেটর ও অক্সিজেন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে গতকাল শুক্রবার জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক। তবে ওই এলাকায় কোনো হামলার কথা অস্বীকার করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে শুক্রবার ইসরায়েলি সেনা ও হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। হিজবুল্লাহর ছোড়া একটি রকেট তাদের ঘাঁটিতে আঘাত হানলে ইতালির চার শান্তিরক্ষী আহত হয়েছেন।
প্রায় এক বছর ধরে চলমান নিম্ন মাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর সেপ্টেম্বরে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হয়। শুক্রবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লেবাননে এখন পর্যন্ত তিন হাজার ৬৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৫ হাজার ৩৫০ জন। নিহত ও আহতদের বেশিরভাগই ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান ও স্থল আগ্রাসনের শিকার।
গাজা উপত্যকায় ৪৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে, দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সংস্থাটি বেসামরিক ও যোদ্ধাদের আলাদাভাবে শনাক্ত না করে বলেছে, নিহতদের অর্ধেকেরও বেশি নারী ও শিশু।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের অভিযানে প্রায় এক হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয়। যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক। এসময় হামাস সদস্যরা আরও ২৫০ জন ইসরায়েলিকে অপহরণ করে গাজায় নিয়ে যায়। প্রায় ১০০ জন এখনও গাজার অভ্যন্তরে জিম্মি অবস্থায় রয়েছে। যাদের অন্তত এক তৃতীয়াংশ মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর ইসরায়েলও গাজায় হামলা শুরু করে। যা এখনও চলমান।










