ঢাকা , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনাকে কি আদৌ ফেরত পাঠাবে ভারত

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৯:২৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ৯১২ বার পঠিত

ভারতের কাছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধটি বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ফলে অনুরোধটি কার্যকর না হওয়ার সম্ভাবনায় বেশি।

 

গতকাল শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস।

 

বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, ভূরাজনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় রেখে ভারত তার ঘনিষ্ঠ মিত্রদের কাউকেও ত্যাগ করবে না। ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ যে কোনো অনুরোধ কার্যকর করা যায় না।

 

উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো বলেছে, শেখ হাসিনার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার তিনদিন পর ৮ আগস্ট শপথ নেয়া বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের চাপ সত্ত্বেও ভারত এই বিষয়ে দ্রুত কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনার মতো একজন সরকারপ্রধান, যিনি ভারতের জাতীয় স্বার্থ প্রাধান্য দিয়েছিলেন, চরমপন্থীদের দমন করেছেন এবং উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়িয়েছেন- তাকে প্রত্যর্পণ করলে ভারতের প্রতিবেশী মিত্রদের কাছে ভুল বার্তা যাবে।

 

এতে আরও বলা হয়েছে, ভারত এই ধরনের প্রত্যর্পণবিষয়ক অনুরোধ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে এবং এতে কয়েক মাস লেগে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারত দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী দেশের অতিথিদের স্বাগত জানানো এবং আশ্রয় দেয়ার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে, যার উদাহরণ ধর্মীয়গুরু দালাই লামাও।

 

সূত্রগুলো জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যদি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়, তা হলে (মিথ্যা মামলার আওতায়) তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে যা তার জন্য একটি অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত দিয়েছেন, এই মুহূর্তে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং শেখ হাসিনার ভূমিকাকে সামনে রেখে প্রত্যর্পণ ইস্যুটি জটিল এবং সময়সাপেক্ষ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

শেখ হাসিনাকে কি আদৌ ফেরত পাঠাবে ভারত

আপডেটঃ ০৯:২৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

ভারতের কাছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধটি বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ফলে অনুরোধটি কার্যকর না হওয়ার সম্ভাবনায় বেশি।

 

গতকাল শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস।

 

বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, ভূরাজনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় রেখে ভারত তার ঘনিষ্ঠ মিত্রদের কাউকেও ত্যাগ করবে না। ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ যে কোনো অনুরোধ কার্যকর করা যায় না।

 

উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো বলেছে, শেখ হাসিনার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার তিনদিন পর ৮ আগস্ট শপথ নেয়া বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের চাপ সত্ত্বেও ভারত এই বিষয়ে দ্রুত কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনার মতো একজন সরকারপ্রধান, যিনি ভারতের জাতীয় স্বার্থ প্রাধান্য দিয়েছিলেন, চরমপন্থীদের দমন করেছেন এবং উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়িয়েছেন- তাকে প্রত্যর্পণ করলে ভারতের প্রতিবেশী মিত্রদের কাছে ভুল বার্তা যাবে।

 

এতে আরও বলা হয়েছে, ভারত এই ধরনের প্রত্যর্পণবিষয়ক অনুরোধ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে এবং এতে কয়েক মাস লেগে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারত দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী দেশের অতিথিদের স্বাগত জানানো এবং আশ্রয় দেয়ার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে, যার উদাহরণ ধর্মীয়গুরু দালাই লামাও।

 

সূত্রগুলো জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যদি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়, তা হলে (মিথ্যা মামলার আওতায়) তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে যা তার জন্য একটি অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত দিয়েছেন, এই মুহূর্তে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং শেখ হাসিনার ভূমিকাকে সামনে রেখে প্রত্যর্পণ ইস্যুটি জটিল এবং সময়সাপেক্ষ বলে বিবেচিত হচ্ছে।