ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

থার্টি ফার্স্টে নাইটে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে: পরিবেশ অধিদপ্তর

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০১:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ৮৭৭ বার পঠিত

থার্টি-ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি, ফানুস উড়ানো বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে পরিবেশ অধিদপ্তর। এমনটা জানিয়েছেন বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

 

আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সিনেট ভবনে তিনি একথা জানান। তিনি জানান, গণমাধ্যমকে স্ক্রল দিতে বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি, আজকে যেন কোন আতশবাজি, পটকা না ফোটানো হয়। আজকে সন্ধ্যার পর থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর কারণে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ হয়। অতিরিক্ত শব্দদূষণে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও মানসিক চাপের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া ফানুস ওড়ানোর ফলে অগ্নিকাণ্ড ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়।

 

শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী এসব কার্যক্রম দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রথমবার আইন লঙ্ঘনে এক মাসের জেল বা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। পুনরায় অপরাধ করলে ছয় মাসের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

 

ইংরেজি নববর্ষে আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস ওড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে ঢাকার ক্লাবগুলোতে এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থায় চিঠি পাঠানো হয়েছে। জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর এ কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

থার্টি ফার্স্টে নাইটে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে: পরিবেশ অধিদপ্তর

আপডেটঃ ০১:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

থার্টি-ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি, ফানুস উড়ানো বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে পরিবেশ অধিদপ্তর। এমনটা জানিয়েছেন বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

 

আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সিনেট ভবনে তিনি একথা জানান। তিনি জানান, গণমাধ্যমকে স্ক্রল দিতে বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি, আজকে যেন কোন আতশবাজি, পটকা না ফোটানো হয়। আজকে সন্ধ্যার পর থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর কারণে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ হয়। অতিরিক্ত শব্দদূষণে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও মানসিক চাপের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া ফানুস ওড়ানোর ফলে অগ্নিকাণ্ড ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়।

 

শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী এসব কার্যক্রম দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রথমবার আইন লঙ্ঘনে এক মাসের জেল বা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। পুনরায় অপরাধ করলে ছয় মাসের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

 

ইংরেজি নববর্ষে আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস ওড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে ঢাকার ক্লাবগুলোতে এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থায় চিঠি পাঠানো হয়েছে। জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর এ কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।