ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৪৩তম বিসিএসে বাদ পড়া ২৬৭ জনের সচিবালয়ের সামনে অবস্থান

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৫:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৮১৪ বার পঠিত

অন্তর্ভুক্তির দাবিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন থেকে বাদ পড়া ৪৩তম বিসিএসের চাকরিপ্রার্থীরা সচিবালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

 

আজ বুধবার (০১ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ের ১ নম্বর গেটের সামনে অবস্থান নেন তারা। এ সময় বাদ পড়ার কারণ জানতে চাইছেন এবং অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান তারা। এর মধ্যে জনপ্রশাসন সচিব তাদের সাথে দেখা করার প্রতিশ্রুতি দেয়ছেন বলে তারা জানিয়েছেন।

 

৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সরকারি চাকরিতে ক্যাডার হিসেবে নিয়োগের জন্য প্রথম দফায় যাদের গেজেটভুক্ত করা হয়েছিলো, তাদের মধ্যে ১৬৮ জনের নাম বাদ দিয়ে নতুন গেজেট প্রকাশ করা হয় গত সোমবার। এই ১৬৮ জনের মধ্যে অন্তত ৭১ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের, মানে হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

 

গত ১৫ অক্টোবর যখন প্রথম দফার গেজেট প্রকাশ হয় সে সময়েই ৯৯ জনকে বাদ দিয়ে গেজেট করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তখন যাদের বাদ দেয়া হয়েছিলো তার মধ্যে ৪৫ জন স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। আর বাকি ৫৪ জন সরকারের ইচ্ছাতেই বাদ পড়েছিল। আর প্রথম গেজেট থেকে কাটছাঁট করে আরও ১৬৮ জনকে বাদ দিয়ে ৩০ ডিসেম্বর দ্বিতীয় গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

 

নতুন গেজেট প্রকাশের পর এখন এ বিসিএসে সব মিলে মোট ২২২ জন উত্তীর্ণ হয়েও বিভিন্ন ক্যাডারের চাকরিতে যোগদান করতে পারছেন না। যারা বাদ পড়েছেন তাদের অনেকে ক্ষোভ ও হতাশার কথা জানিয়েছেন।

 

সচিবালয়ে যাওয়া একজন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পড়ালেখা করে চার বছর পর পিএসসির সুপারিশ পেলাম। নতুন চাকরিতে জয়েন করার আগে গেজেট থেকে বাদ পড়েছি।’

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেকজন প্রার্থী বলেন, ‘বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার কথা বলা হচ্ছে, অথচ নতুন চাকরিতে ঢোকার আগেই বৈষম্যের শিকার হলাম। আমাদের সহযাত্রীরা যোগ দেবেন, আর আমরা মুছব চোখের পানি। আমরা এই বৈষম্য থেকে রেহাই চাই।’

 

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশপ্রাপ্ত ১ হাজার ৮৯৬ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব প্রার্থীকে ১৫ জানুয়ারি চাকরিতে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

৪৩তম বিসিএসে বাদ পড়া ২৬৭ জনের সচিবালয়ের সামনে অবস্থান

আপডেটঃ ০৫:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

অন্তর্ভুক্তির দাবিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন থেকে বাদ পড়া ৪৩তম বিসিএসের চাকরিপ্রার্থীরা সচিবালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

 

আজ বুধবার (০১ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ের ১ নম্বর গেটের সামনে অবস্থান নেন তারা। এ সময় বাদ পড়ার কারণ জানতে চাইছেন এবং অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান তারা। এর মধ্যে জনপ্রশাসন সচিব তাদের সাথে দেখা করার প্রতিশ্রুতি দেয়ছেন বলে তারা জানিয়েছেন।

 

৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সরকারি চাকরিতে ক্যাডার হিসেবে নিয়োগের জন্য প্রথম দফায় যাদের গেজেটভুক্ত করা হয়েছিলো, তাদের মধ্যে ১৬৮ জনের নাম বাদ দিয়ে নতুন গেজেট প্রকাশ করা হয় গত সোমবার। এই ১৬৮ জনের মধ্যে অন্তত ৭১ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের, মানে হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

 

গত ১৫ অক্টোবর যখন প্রথম দফার গেজেট প্রকাশ হয় সে সময়েই ৯৯ জনকে বাদ দিয়ে গেজেট করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তখন যাদের বাদ দেয়া হয়েছিলো তার মধ্যে ৪৫ জন স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। আর বাকি ৫৪ জন সরকারের ইচ্ছাতেই বাদ পড়েছিল। আর প্রথম গেজেট থেকে কাটছাঁট করে আরও ১৬৮ জনকে বাদ দিয়ে ৩০ ডিসেম্বর দ্বিতীয় গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

 

নতুন গেজেট প্রকাশের পর এখন এ বিসিএসে সব মিলে মোট ২২২ জন উত্তীর্ণ হয়েও বিভিন্ন ক্যাডারের চাকরিতে যোগদান করতে পারছেন না। যারা বাদ পড়েছেন তাদের অনেকে ক্ষোভ ও হতাশার কথা জানিয়েছেন।

 

সচিবালয়ে যাওয়া একজন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পড়ালেখা করে চার বছর পর পিএসসির সুপারিশ পেলাম। নতুন চাকরিতে জয়েন করার আগে গেজেট থেকে বাদ পড়েছি।’

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেকজন প্রার্থী বলেন, ‘বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার কথা বলা হচ্ছে, অথচ নতুন চাকরিতে ঢোকার আগেই বৈষম্যের শিকার হলাম। আমাদের সহযাত্রীরা যোগ দেবেন, আর আমরা মুছব চোখের পানি। আমরা এই বৈষম্য থেকে রেহাই চাই।’

 

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশপ্রাপ্ত ১ হাজার ৮৯৬ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব প্রার্থীকে ১৫ জানুয়ারি চাকরিতে যোগ দিতে বলা হয়েছে।