ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীমান্ত ইস্যুতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাজির ভারতীয় হাইকমিশন

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৬:৫৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৮৪০ বার পঠিত

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে বিএসএফের কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের প্রতিবাদ জানাতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করেছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সশরীরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাজির হয়ে এর ব্যাখ্যা দিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, সীমান্ত নিরাপত্তায় দুই দেশের মধ্যে বোঝাপড়া থাকতে হবে।

 

আজ রোববার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

প্রণয় ভার্মা সাংবাদিকদের বলেন, ‘অপরাধ-শূন্য সীমান্ত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যাতে করে চোরাচালান, মানবপাচার ও অপরাধীদের চলাচল রোধ করা সম্ভব হয়।’ তিনি জানান, নিরাপত্তার জন্য বর্ডার ফেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে আমাদের মধ্যে একটি সমঝোতা আছে। আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, বিএসএফ এবং বিজিবি এ ব্যাপারে যোগাযোগ করছে। আমরা আশা করি যে, আলোচনা বাস্তবায়িত হবে এবং অপরাধ মোকাবিলায় একটি সহযোগিতামূলক পদ্ধতি থাকবে।

 

সম্প্রতি সীমান্তের পাঁচটি জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু ক‌রে‌ছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয় লোকজনের শক্ত অবস্থানের কারণে ভারত ওইসব স্থানে বেড়া নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।

 

এর আগে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কোনো বিরূপ ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনকে বিষয়টি জানানো হবে।

 

তিনি বলেন, সীমান্তে বিজিবি সতর্কাবস্থায় আছে। বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের শক্ত অবস্থানের কারণে ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সঙ্গে বিজিবির যোগাযোগ হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও এ বিষয়ে এরই মধ্যে জানানো হয়েছে। তারা কূটনৈতিকভাবে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।

 

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, বিগত সরকারের সময়ে সীমান্তে বেড়া দেওয়া নিয়ে যেসব অসম সমঝোতা চুক্তি হয়েছে, সেগুলো বাতিলের বিষয়ে পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে বিজিবি ও বিএসএফ এর মধ্যে ডিজি পর্যায়ে বৈঠক হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

সীমান্ত ইস্যুতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাজির ভারতীয় হাইকমিশন

আপডেটঃ ০৬:৫৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে বিএসএফের কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের প্রতিবাদ জানাতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করেছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সশরীরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাজির হয়ে এর ব্যাখ্যা দিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, সীমান্ত নিরাপত্তায় দুই দেশের মধ্যে বোঝাপড়া থাকতে হবে।

 

আজ রোববার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

প্রণয় ভার্মা সাংবাদিকদের বলেন, ‘অপরাধ-শূন্য সীমান্ত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যাতে করে চোরাচালান, মানবপাচার ও অপরাধীদের চলাচল রোধ করা সম্ভব হয়।’ তিনি জানান, নিরাপত্তার জন্য বর্ডার ফেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে আমাদের মধ্যে একটি সমঝোতা আছে। আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, বিএসএফ এবং বিজিবি এ ব্যাপারে যোগাযোগ করছে। আমরা আশা করি যে, আলোচনা বাস্তবায়িত হবে এবং অপরাধ মোকাবিলায় একটি সহযোগিতামূলক পদ্ধতি থাকবে।

 

সম্প্রতি সীমান্তের পাঁচটি জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু ক‌রে‌ছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয় লোকজনের শক্ত অবস্থানের কারণে ভারত ওইসব স্থানে বেড়া নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।

 

এর আগে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কোনো বিরূপ ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনকে বিষয়টি জানানো হবে।

 

তিনি বলেন, সীমান্তে বিজিবি সতর্কাবস্থায় আছে। বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের শক্ত অবস্থানের কারণে ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সঙ্গে বিজিবির যোগাযোগ হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও এ বিষয়ে এরই মধ্যে জানানো হয়েছে। তারা কূটনৈতিকভাবে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।

 

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, বিগত সরকারের সময়ে সীমান্তে বেড়া দেওয়া নিয়ে যেসব অসম সমঝোতা চুক্তি হয়েছে, সেগুলো বাতিলের বিষয়ে পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে বিজিবি ও বিএসএফ এর মধ্যে ডিজি পর্যায়ে বৈঠক হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।