ঢাকা , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যেও গাজায় ইসরায়েলি বর্বর হামলা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৫:২০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৮৭১ বার পঠিত

দীর্ঘ ১৫ মাস পর গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও ইসরাইল। আগামী রোববার (১৯ জানুয়ারি) থেকে এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

 

গতকাল বুধবার (১৫ জানুয়ারি) ঘোষণা আসার পর মাত্র কয়েক ঘণ্টায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে আরও ৩০ ফিলিস্তিনি।

 

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, যুদ্ধবিরতি চুক্তির ঘোষণার পরও গত রাতে ইসরায়েলি হামলায় গাজাজুড়ে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে গাজা সিটিতে নিহত হয়েছে অন্তত ১২ জন।

 

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। এতে ১ হাজার জনের বেশি নিহত হন। আর ইসরায়েল থেকে জিম্মি করা হয় ২৪১ জনকে। তাদের মধ্যে ৯৪ জন এখনো গাজায় বন্দী রয়েছেন। হামাসের হামলার পর থেকেই গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এই হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৪৬ হাজার ৭০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছে এক লাখ ১০ হাজারের বেশি।

 

যুদ্ধের এই ১৫ মাসের মধ্যে শুরুর দিকে একবার সাত দিনের যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। এরপর থেকে কয়েক দফায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা হয়েছে। তবে চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি দুই পক্ষ। সম্প্রতি যুদ্ধবিরতি চুক্তির লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে জোর তৎপরতা শুরু করে কাতার, মিশর ও যুক্তরাষ্ট্র। হামাস ও ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা চলে। অবশেষে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে উভয় পক্ষ।

 

যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে ৩৩ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস। বিনিময়ে ইসরায়েল মুক্তি দেবে ২ হাজার ফিলিস্তিনিকে। চুক্তি বাস্তবায়ন শুরু হলে, ধাপে ধাপে ফিলাডেলফি করিডোর থেকে সরানো হবে ইসরায়েলি সেনাদের। চুক্তির পরবর্তী ধাপে, গাজা থেকে সম্পূর্ণভাবে সেনাদের প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যেও গাজায় ইসরায়েলি বর্বর হামলা

আপডেটঃ ০৫:২০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫

দীর্ঘ ১৫ মাস পর গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও ইসরাইল। আগামী রোববার (১৯ জানুয়ারি) থেকে এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

 

গতকাল বুধবার (১৫ জানুয়ারি) ঘোষণা আসার পর মাত্র কয়েক ঘণ্টায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে আরও ৩০ ফিলিস্তিনি।

 

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, যুদ্ধবিরতি চুক্তির ঘোষণার পরও গত রাতে ইসরায়েলি হামলায় গাজাজুড়ে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে গাজা সিটিতে নিহত হয়েছে অন্তত ১২ জন।

 

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। এতে ১ হাজার জনের বেশি নিহত হন। আর ইসরায়েল থেকে জিম্মি করা হয় ২৪১ জনকে। তাদের মধ্যে ৯৪ জন এখনো গাজায় বন্দী রয়েছেন। হামাসের হামলার পর থেকেই গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এই হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৪৬ হাজার ৭০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছে এক লাখ ১০ হাজারের বেশি।

 

যুদ্ধের এই ১৫ মাসের মধ্যে শুরুর দিকে একবার সাত দিনের যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। এরপর থেকে কয়েক দফায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা হয়েছে। তবে চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি দুই পক্ষ। সম্প্রতি যুদ্ধবিরতি চুক্তির লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে জোর তৎপরতা শুরু করে কাতার, মিশর ও যুক্তরাষ্ট্র। হামাস ও ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা চলে। অবশেষে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে উভয় পক্ষ।

 

যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে ৩৩ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস। বিনিময়ে ইসরায়েল মুক্তি দেবে ২ হাজার ফিলিস্তিনিকে। চুক্তি বাস্তবায়ন শুরু হলে, ধাপে ধাপে ফিলাডেলফি করিডোর থেকে সরানো হবে ইসরায়েলি সেনাদের। চুক্তির পরবর্তী ধাপে, গাজা থেকে সম্পূর্ণভাবে সেনাদের প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল।