ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে অস্ত্র পাচারকালে মিজোরামে চীনা বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সিএনএফ নেতা গ্রেপ্তার

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০১:২১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৮৩৯ বার পঠিত

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীদের বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাওয়া সশ‘স্ত্র সন্ত্রা‘সী সংগঠন UPDF এর জন্যে বিপুল পরিমাণ আধুনিক অ‘স্ত্র মিয়ানমার থেকে ভারতের মিজোরাম হয়ে আসার সময় মিজোরাম পুলিশ এর হাতে ধরা পড়ে!

 

মিজোরাম পুলিশ দাবী করেছে, এ অস্ত্রগুলো বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছিল। বুধবার সাইথা গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের অভিযান চলাকালে মিয়ানমারের চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (সিএনএফ)-এর ১ জন নেতা, ২ জন মায়ানমারের এবং ১ জন বাংলাদেশি চাকমাসহ মোট ৫ জনকে গ্রেফ‘তার করেছে। অভিযানে তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

 

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ মিয়ানমারের চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (সিএনএফ) থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চলে সক্রিয় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) বিদ্রোহী সংগঠনকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পাঠানো হচ্ছিল।

 

পুলিশের মতে, এটি মিজোরামে উদ্ধার হওয়া সবচেয়ে বড় অস্ত্রের চালানগুলোর মধ্যে একটি। এ ৫জন ব্যক্তি মিজোরামের পশ্চিমাঞ্চলের মামিত জেলার একটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন, যা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত। অভিযান চলাকালে পুলিশ ৫জনের কাছ থেকে ৬টি একে-৪৭ রাইফেল, ১০,০৫০টি গুলি এবং ১৩টি ম্যাগাজিন উদ্ধার করে।

 

মিজোরামে চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (সিএনএফ) দলের নেতার গ্রেপ্তারকে অস্ত্র পাচার বিরোধী অভিযানের একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামিত জেলার পশ্চিম ফাইলেং থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে, যাতে অস্ত্র পাচারের চক্রটি উদ্ঘাটিত এবং ধ্বংস করা সম্ভব হয়।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযানটি একটি গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় পরিচালিত হয়েছে এবং এটি মিজোরামে অস্ত্র উদ্ধার সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

 

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধ অস্ত্র পাচারের ঘটনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এর প্রতিরোধে এই অভিযানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

চট্টগ্রামে অস্ত্র পাচারকালে মিজোরামে চীনা বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সিএনএফ নেতা গ্রেপ্তার

আপডেটঃ ০১:২১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীদের বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাওয়া সশ‘স্ত্র সন্ত্রা‘সী সংগঠন UPDF এর জন্যে বিপুল পরিমাণ আধুনিক অ‘স্ত্র মিয়ানমার থেকে ভারতের মিজোরাম হয়ে আসার সময় মিজোরাম পুলিশ এর হাতে ধরা পড়ে!

 

মিজোরাম পুলিশ দাবী করেছে, এ অস্ত্রগুলো বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছিল। বুধবার সাইথা গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের অভিযান চলাকালে মিয়ানমারের চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (সিএনএফ)-এর ১ জন নেতা, ২ জন মায়ানমারের এবং ১ জন বাংলাদেশি চাকমাসহ মোট ৫ জনকে গ্রেফ‘তার করেছে। অভিযানে তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

 

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ মিয়ানমারের চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (সিএনএফ) থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চলে সক্রিয় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) বিদ্রোহী সংগঠনকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পাঠানো হচ্ছিল।

 

পুলিশের মতে, এটি মিজোরামে উদ্ধার হওয়া সবচেয়ে বড় অস্ত্রের চালানগুলোর মধ্যে একটি। এ ৫জন ব্যক্তি মিজোরামের পশ্চিমাঞ্চলের মামিত জেলার একটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন, যা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত। অভিযান চলাকালে পুলিশ ৫জনের কাছ থেকে ৬টি একে-৪৭ রাইফেল, ১০,০৫০টি গুলি এবং ১৩টি ম্যাগাজিন উদ্ধার করে।

 

মিজোরামে চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (সিএনএফ) দলের নেতার গ্রেপ্তারকে অস্ত্র পাচার বিরোধী অভিযানের একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামিত জেলার পশ্চিম ফাইলেং থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে, যাতে অস্ত্র পাচারের চক্রটি উদ্ঘাটিত এবং ধ্বংস করা সম্ভব হয়।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযানটি একটি গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় পরিচালিত হয়েছে এবং এটি মিজোরামে অস্ত্র উদ্ধার সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

 

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধ অস্ত্র পাচারের ঘটনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এর প্রতিরোধে এই অভিযানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।