কর্মবিরতি প্রত্যাহার, ট্রেন চলাচল শুরু হলেও শিডিউল বিপর্যয়
- আপডেটঃ ০১:২১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
- / ৯৩৫ বার পঠিত
রেলওয়ের রানিং স্টাফদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের ফলে সকাল থেকেই সারা দেশে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। তবে শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রীরা।
আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে দূরপাল্লার সঙ্গে কমিউটার ট্রেনের টিকিট বিক্রি দেখা যায় রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে। পাশাপাশি রাজশাহীগামী ধুমকেতু এক্সপ্রেসের যাত্রার মাধ্যমে ট্রেন চলাচল শুরু হলেও শিডিউল বিপর্যয়ে পড়ে অন্যান্য ট্রেনগুলো।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের বাসায় বৈঠক শেষে গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে ধর্মঘট তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন।
আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে ঢাকার কমলাপুর থেকে জয়দেবপুরগামী কমিউটার ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয় বলে গণমাধ্যমকে জানান স্টেশন মাস্টার মো. আনোয়ার হোসেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে রেল চলাচল। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ভোর ৬টা থেকে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্তত সাত ট্রেন ছেড়ে যেতে দেখা যায়।
২০২১ সালের বন্ধ হওয়া সুবিধা পুনরায় চালুর দাবিতে গত সোমবার (২৭ জানুয়ারি) মধ্যরাত থেকে কর্মবিরতিতে যায় রেলের রানিং কর্মচারীরা। ফলে সারা দেশের রেল যোগাযোগে দেখা দেয় অচলাবস্থা। এ কারণে গত মঙ্গলবার দিনভর চরম ভোগান্তিতে পরেন ট্রেনের যাত্রীরা।
এদিকে দিনভর শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে সরকারের উপদেষ্টাদের সাথে শ্রমিক নেতাদের দফায় দফায় বৈঠকের পরও হয়নি কোন সমাধান। পরে যাত্রীদের ভোগান্তির কথা মাথায় নিয়ে, মঙ্গলবার মধ্যরাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি হাসনাত আব্দুল্লাহ ও বিএনপির প্রতিনিধি শিমুল বিশ্বাসের মধ্যস্থতায় রেল উপদেষ্টার বাসায় হয় রেলের সংকট নিরসনে হয় বৈঠক।
এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক নেতারা। রাত আড়াইটার দিকে রেল উপদেষ্টা শ্রমিকদের কয়েকটি দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দেন।
এদিকে রেল চলাচল শুরু হওয়ায় ঢাকার কমলাপুরে যাত্রীদের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা ছিলো চোখে পড়ার মতো।










