ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড, খালাস ৩

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ১২:২১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
  • / ৮৪৬ বার পঠিত

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছে আদালত। রায়ে অভিযুক্ত হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া খালাস পেয়েছেন বাকি ৩ আসামি।

 

আজ শনিবার (১৭ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান রায় ঘোষণা করেন। মামলায় খালাসপ্রাপ্ত ৩ আসামি হলেন, হিটু শেখের স্ত্রী জাহেদা বেগম ও দুই ছেলে সজীব শেখ ও রাতুল শেখ।

 

এর আগে, গত ১৩ এপ্রিল আলোচিত মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় বিচার কার্যক্রম। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৭ এপ্রিল।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, আসামির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, মেডিকেল অ্যাভিডেন্স ও সাক্ষীদের জবানবন্দিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।

 

গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতাল নেওয়া হয়।

 

অবস্থার অনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। ঘটনার পর দেশজুড়ে মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড, খালাস ৩

আপডেটঃ ১২:২১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছে আদালত। রায়ে অভিযুক্ত হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া খালাস পেয়েছেন বাকি ৩ আসামি।

 

আজ শনিবার (১৭ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান রায় ঘোষণা করেন। মামলায় খালাসপ্রাপ্ত ৩ আসামি হলেন, হিটু শেখের স্ত্রী জাহেদা বেগম ও দুই ছেলে সজীব শেখ ও রাতুল শেখ।

 

এর আগে, গত ১৩ এপ্রিল আলোচিত মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় বিচার কার্যক্রম। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৭ এপ্রিল।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, আসামির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, মেডিকেল অ্যাভিডেন্স ও সাক্ষীদের জবানবন্দিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।

 

গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতাল নেওয়া হয়।

 

অবস্থার অনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। ঘটনার পর দেশজুড়ে মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।