ঢাকা , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মানব পাচারে জড়িত অভিযোগে ২ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০১:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / ৮৭৬ বার পঠিত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে দুই চীনা নাগরিকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। গত সোমবার ( ২৬ মে) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

আজ বুধবার ( ২৮ মে) সকালে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

 

গ্রেপ্তার দুই চিনা নাগরিক হু জুন জুন (৩০) ও ঝাং লেইজি (৫৪)। অন্যজন বাংলাদেশি মো. নয়ন আলী (৩০)।

 

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার ( ২৬ মে) রাতে। এদিন গাইবান্ধার এক কিশোরী (১৯) বিমানবন্দরের প্রবেশমুখে পুলিশকে জানান, তাকে চীনে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছে। এসময় এপিবিএন সদস্যরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে দুই চীনা নাগরিককে আটক করেন এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি পাচারকারী নয়ন আলিকে গ্রেপ্তার করে। তবে একই চক্রের অন্য সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

 

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত এবং বসুন্ধরায় অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশে এসে তারা স্থানীয় দালালদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং সহজ-সরল নারীদের টার্গেট করে প্রতারণামূলকভাবে চীনে পাচারের ফাঁদ পেতে রাখেন। ভুক্তভোগীকে প্রথমে প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে চীনা নাগরিক হু জুনজুনের সঙ্গে ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করানো হয়। পরবর্তীতে তার নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এবং একটি ফ্লাইটে চীনে পাঠানোর চেষ্টা করে।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা (৪৩) বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেছেন।

 

এ বিষয়ে এপিবিএন -এর পুলিশ সুপার (অপারেশনস) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, সম্প্রতি এটি চীনা নাগরিকদের জড়িত মানবপাচারের দ্বিতীয় ঘটনা। এই চক্রগুলো গ্রামীণ দরিদ্র নারীদের টার্গেট করে প্রতারণার মাধ্যমে চীনে পাচারের চেষ্টা করছে। আমরা প্রতিটি তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

 

তিনি আরো বলেন, মানবপাচার রোধে এপিবিএন জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও আইনের কঠোর প্রয়োগে অঙ্গীকারবদ্ধভাবে কাজ করছে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

মানব পাচারে জড়িত অভিযোগে ২ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার

আপডেটঃ ০১:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে দুই চীনা নাগরিকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। গত সোমবার ( ২৬ মে) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

আজ বুধবার ( ২৮ মে) সকালে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

 

গ্রেপ্তার দুই চিনা নাগরিক হু জুন জুন (৩০) ও ঝাং লেইজি (৫৪)। অন্যজন বাংলাদেশি মো. নয়ন আলী (৩০)।

 

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার ( ২৬ মে) রাতে। এদিন গাইবান্ধার এক কিশোরী (১৯) বিমানবন্দরের প্রবেশমুখে পুলিশকে জানান, তাকে চীনে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছে। এসময় এপিবিএন সদস্যরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে দুই চীনা নাগরিককে আটক করেন এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি পাচারকারী নয়ন আলিকে গ্রেপ্তার করে। তবে একই চক্রের অন্য সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

 

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত এবং বসুন্ধরায় অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশে এসে তারা স্থানীয় দালালদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং সহজ-সরল নারীদের টার্গেট করে প্রতারণামূলকভাবে চীনে পাচারের ফাঁদ পেতে রাখেন। ভুক্তভোগীকে প্রথমে প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে চীনা নাগরিক হু জুনজুনের সঙ্গে ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করানো হয়। পরবর্তীতে তার নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এবং একটি ফ্লাইটে চীনে পাঠানোর চেষ্টা করে।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা (৪৩) বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেছেন।

 

এ বিষয়ে এপিবিএন -এর পুলিশ সুপার (অপারেশনস) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, সম্প্রতি এটি চীনা নাগরিকদের জড়িত মানবপাচারের দ্বিতীয় ঘটনা। এই চক্রগুলো গ্রামীণ দরিদ্র নারীদের টার্গেট করে প্রতারণার মাধ্যমে চীনে পাচারের চেষ্টা করছে। আমরা প্রতিটি তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

 

তিনি আরো বলেন, মানবপাচার রোধে এপিবিএন জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও আইনের কঠোর প্রয়োগে অঙ্গীকারবদ্ধভাবে কাজ করছে।