ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০২:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • / ৭৯৮ বার পঠিত

ফেনীতে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ২১টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে সীমান্তবর্তী ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলছানা এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

 

আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বন্যা পরিস্থিতির অবনতি দেখা গেছে। মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানির তোপে আরও কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙেছে। প্লাবিত হয়েছে প্রায় একশর মতো গ্রাম।

 

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, মুহুরী নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচে রয়েছে। কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানির উচ্চতাও কমেছে। তবে ভাঙ্গনকবলিত জায়গা থেকে পানি ঢুকছে লোকালয়ে। সব মিলিয়ে বাঁধের অন্তত ২১টি ভাঙা স্থান দিয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকছে বয়লে জানা গেছে।

 

বন্যাকবলিত স্থানীয়রা ত্রাণ কিংবা সহযোগিতার দিকে তারা আর চেয়ে থাকতে চান না। স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন জানিয়ে স্থানীয়দের দাবি, বন্যা মোকাবেলায় ৭ হাজার ৩শ ৪০ কোটি টাকার যে প্রজেক্ট নেয়া হয়েছে সেটি যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়। তাহলে এই অভিশাপ থেকে স্থায়ী মুক্তি মিলবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, আজও কোথাও কোথাও বেড়িবাঁধের উপর দিয়েও নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্লাবিত হয়েছে ফুলগাজীর ৬৭টি, পরশুরামের ২৭ ও ছাগলনাইয়ার ৪টি গ্রাম। এতে পানিতে নিমজ্জিত হয়ে আছে বহু দোকানপাট ও ঘরবাড়ি।

 

এখনও বন্ধ রয়েছে ফেনী-পরশুরাম সড়কে যান চলাচল। বল্লামুখায় ভারত অংশে বাঁধ ভেঙে বাংলাদেশ অংশে পানি ঢুকছে।

 

ফেনীর জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, এরইমধ্যে ১৬১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনো খাবার পাঠানো হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে অনেককে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।

ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

আপডেটঃ ০২:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

ফেনীতে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ২১টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে সীমান্তবর্তী ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলছানা এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

 

আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বন্যা পরিস্থিতির অবনতি দেখা গেছে। মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানির তোপে আরও কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙেছে। প্লাবিত হয়েছে প্রায় একশর মতো গ্রাম।

 

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, মুহুরী নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচে রয়েছে। কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানির উচ্চতাও কমেছে। তবে ভাঙ্গনকবলিত জায়গা থেকে পানি ঢুকছে লোকালয়ে। সব মিলিয়ে বাঁধের অন্তত ২১টি ভাঙা স্থান দিয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকছে বয়লে জানা গেছে।

 

বন্যাকবলিত স্থানীয়রা ত্রাণ কিংবা সহযোগিতার দিকে তারা আর চেয়ে থাকতে চান না। স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন জানিয়ে স্থানীয়দের দাবি, বন্যা মোকাবেলায় ৭ হাজার ৩শ ৪০ কোটি টাকার যে প্রজেক্ট নেয়া হয়েছে সেটি যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়। তাহলে এই অভিশাপ থেকে স্থায়ী মুক্তি মিলবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, আজও কোথাও কোথাও বেড়িবাঁধের উপর দিয়েও নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্লাবিত হয়েছে ফুলগাজীর ৬৭টি, পরশুরামের ২৭ ও ছাগলনাইয়ার ৪টি গ্রাম। এতে পানিতে নিমজ্জিত হয়ে আছে বহু দোকানপাট ও ঘরবাড়ি।

 

এখনও বন্ধ রয়েছে ফেনী-পরশুরাম সড়কে যান চলাচল। বল্লামুখায় ভারত অংশে বাঁধ ভেঙে বাংলাদেশ অংশে পানি ঢুকছে।

 

ফেনীর জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, এরইমধ্যে ১৬১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনো খাবার পাঠানো হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে অনেককে।