বৈরিতা ছাড়াই বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা অর্জন বিশ্বে অনন্য দৃষ্টান্ত
- আপডেটঃ ০২:৩৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪
- / ৯০৬ বার পঠিত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সমুদ্রসীমা আইন জাতির পিতাই প্রথম করেছিলেন। ১৯৭৫-এর হত্যাকাণ্ডের পর দায়িত্বে আসা কোনো সরকারই কোনো উদ্যোগ নেয়নি। সমুদ্রে বাংলাদেশ নিজস্ব সীমানার মালিক হয়েছে। মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে এটি সম্ভব করেছে আওয়ামী লীগ সরকার।
আজ রবিবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
কোস্টগার্ড সদর দপ্তর থেকে বাহিনীর ভিস্যাটনেটসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর উদ্বোধন করেন সরকার প্রধান। বীরত্ব ও সেবামূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ৪০ জনকে পদক প্রদান করেন। এ উপলক্ষে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে কোস্টগার্ড সদস্যদের প্রতি আহবান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো দেশের সমুদ্রসীমার অধিকার আদায়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে উদ্যোগ নেয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত ও মিয়ানমার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখেই সমুদ্রসীমার বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। কোষ্টগার্ডকে ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সুশৃঙ্খলবাহিনী হিসেবে কোস্টগার্ডের সালাম গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। বীরত্বপূর্ণ ও সেবামূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে কোস্টগার্ডের ৪০সদস্যকে পদক দেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তায় এ বাহিনীর কাজের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, একবিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্মার্ট বাহিনী হিসেবে কোস্টগার্ডকে গড়ে তোলা হচ্ছে। সমুদ্র সম্পদ আহরণে দায়িত্বের কথা স্মরণ করে তিনি।
বিশ্ব সংকটের মধ্যে কারো কাছে হাত পেতে নয়, বিজয়ের পতাকা সমুন্ন রেখেই এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।















