ঢাকা , শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর গ্রামীণফোনের দর কমেছে ৮.৭২%

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটঃ ০৫:১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪
  • / ৬২৬ বার পঠিত

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর গতকাল শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বড় মূলধনি কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেডের শেয়ারদর কমেছে ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। কোম্পানিটির দর কমায় এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসইএক্স গতকাল ৩৯ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২১৫ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৬ হাজার ২৫৫ পয়েন্ট। সূচকটির পতনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে গ্রামীণফোন।

 

গতকাল গ্রামীনফোনের শেয়ারদর কমে ২৬১ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে এসেছে। দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে কোম্পানির শেয়ারদর ২৮৬ টাকায় আটকে ছিল। গতকাল কোম্পানিটির ৭ লাখ ৪৩ হাজার ৪১০টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

 

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে গ্রামীণফোন। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৪ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২২ টাকা ২৯ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ৩৯ পয়াসয়, আগের হিসাব বছর শেষে ছিল ৩৪ টাকা ২২ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ২ মে সকাল সাড়ে ১০টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে।

 

সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে গ্রামীণফোন। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ও ১২৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২২ টাকা ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৫ টাকা ২৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৪ টাকা ২২ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩৬ টাকা ৯৪ পয়সা।

 

২০০৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত গ্রামীণফোনের অনুমোদিত মূলধন ৪ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৩৫০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩৫ কোটি ৩ লাখ ২২। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতেই রয়েছে ৯০ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারের মধ্যে ৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ১ দশমিক ৫০ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

অর্থআদালতডটকম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।

error: Content is protected !!

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর গ্রামীণফোনের দর কমেছে ৮.৭২%

আপডেটঃ ০৫:১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর গতকাল শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বড় মূলধনি কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেডের শেয়ারদর কমেছে ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। কোম্পানিটির দর কমায় এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসইএক্স গতকাল ৩৯ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২১৫ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৬ হাজার ২৫৫ পয়েন্ট। সূচকটির পতনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে গ্রামীণফোন।

 

গতকাল গ্রামীনফোনের শেয়ারদর কমে ২৬১ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে এসেছে। দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে কোম্পানির শেয়ারদর ২৮৬ টাকায় আটকে ছিল। গতকাল কোম্পানিটির ৭ লাখ ৪৩ হাজার ৪১০টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

 

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে গ্রামীণফোন। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৪ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২২ টাকা ২৯ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ৩৯ পয়াসয়, আগের হিসাব বছর শেষে ছিল ৩৪ টাকা ২২ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ২ মে সকাল সাড়ে ১০টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে।

 

সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে গ্রামীণফোন। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ও ১২৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২২ টাকা ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৫ টাকা ২৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৪ টাকা ২২ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩৬ টাকা ৯৪ পয়সা।

 

২০০৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত গ্রামীণফোনের অনুমোদিত মূলধন ৪ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৩৫০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩৫ কোটি ৩ লাখ ২২। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতেই রয়েছে ৯০ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারের মধ্যে ৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ১ দশমিক ৫০ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।